১১:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে আলোচনা

  • আপলোড সময় : ০৩:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
  • 3

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আভাস দিয়েছে, যা ইসলামাবাদে 'সাবধানী আশাবাদ' সৃষ্টি করেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী রয়টার্সকে জানান, মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরান সফর করেছে, যা এই বিষয়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করে।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এই কূটনৈতিক তৎপরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। চলতি মাসে তিনি দুবার ইরান সফর করেছেন, যেখানে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধানও তার সঙ্গে ছিলেন।

এ সফরের প্রেক্ষাপটে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে তিন দেশের মধ্যে হামলার ক্ষেত্রে সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, যৌথ প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক শান্তির লক্ষ্যে যেসব দেশ রয়েছে, তাদের স্বাগত জানানোর সুযোগ আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে সংশ্লিষ্ট তিন দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে।

এদিকে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের তেহরান সফর এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সৌদি সামরিক বাহিনীর মধ্যে নতুন উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা নজর রাখছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্টকে জামায়াতের আমিরের চিঠি হস্তান্তর

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে আলোচনা

আপলোড সময় : ০৩:৫৬:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান এবং যুদ্ধবিরতি আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করতে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির আভাস দিয়েছে, যা ইসলামাবাদে 'সাবধানী আশাবাদ' সৃষ্টি করেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী রয়টার্সকে জানান, মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় কিছু ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি পাকিস্তানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল তেহরান সফর করেছে, যা এই বিষয়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করে।

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এই কূটনৈতিক তৎপরতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। চলতি মাসে তিনি দুবার ইরান সফর করেছেন, যেখানে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং তুরস্কের গোয়েন্দাপ্রধানও তার সঙ্গে ছিলেন।

এ সফরের প্রেক্ষাপটে 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ৭ আগস্ট পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে তিন দেশের মধ্যে হামলার ক্ষেত্রে সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, যৌথ প্রতিরক্ষা ও আঞ্চলিক শান্তির লক্ষ্যে যেসব দেশ রয়েছে, তাদের স্বাগত জানানোর সুযোগ আছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে সংশ্লিষ্ট তিন দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে।

এদিকে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের তেহরান সফর এবং ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও সৌদি সামরিক বাহিনীর মধ্যে নতুন উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ইরানের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা নজর রাখছেন।