০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসামিদের সন্দেহজনক গতিবিধি নিয়ে সতর্ক চিফ প্রসিকিউটর

  • আপলোড সময় : ০১:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 6

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করার কথা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, কিছু আসামির গতিবিধি এবং তৎপরতা সন্দেহজনক মনে হচ্ছে, এবং তাদের কাছে গোপন তথ্য রয়েছে যে তারা যেকোনো স্যাবোটাজ বা নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে পারে।

রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে তদন্ত সংস্থা।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন নামে একটি আইন হতে যাচ্ছে, যা গুমের বিচারকে নতুন মাত্রা দেবে। তিনি জানান, ২৫১ জন মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গুমের ঘটনার তদন্ত শুরুর পর কিছু অপরাধীর তৎপরতা বেড়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি এবং গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি কখনো আওয়ামী লীগ হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম

আসামিদের সন্দেহজনক গতিবিধি নিয়ে সতর্ক চিফ প্রসিকিউটর

আপলোড সময় : ০১:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করার কথা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, কিছু আসামির গতিবিধি এবং তৎপরতা সন্দেহজনক মনে হচ্ছে, এবং তাদের কাছে গোপন তথ্য রয়েছে যে তারা যেকোনো স্যাবোটাজ বা নাশকতামূলক ঘটনা ঘটাতে পারে।

রোববার (০৬ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলির নেতৃত্বে ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে তদন্ত সংস্থা।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন নামে একটি আইন হতে যাচ্ছে, যা গুমের বিচারকে নতুন মাত্রা দেবে। তিনি জানান, ২৫১ জন মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার তাদের সঙ্গে দেখা করেছেন। তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গুমের ঘটনার তদন্ত শুরুর পর কিছু অপরাধীর তৎপরতা বেড়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি এবং গুমের শিকার পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন।