গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে এই অভিমত জানান।
নেতারা বলেন, রাষ্ট্রের কোনো বাহিনী বা কর্মকর্তা আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারেন না। নতুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার মানুষের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে আইনের প্রধান উদ্দেশ্য। তারা গুমের অভিযোগের তদন্ত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠানের হাতে রাখতে হবে, যাতে অতীতে গুমের অভিযোগে অভিযুক্ত বাহিনীর সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত না হন।
এবি পার্টির নেতারা জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সরকারের প্রভাবমুক্ত ও স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানান। কমিশনকে পর্যাপ্ত জনবল, স্বাধীন বাজেট এবং অবাধ পরিদর্শনের ক্ষমতা দিতে হবে। তারা গুমের মতো গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে নির্দেশদাতা ও পরিকল্পনাকারীদেরও আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
সম্পত্তি হস্তান্তর সংশোধন বিল প্রসঙ্গে নেতারা বলেন, এই আইনের মানবিক উদ্দেশ্য থাকা সত্ত্বেও মুসলিম আইন বা শরিয়ার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিষয়গুলো বিবেচনার জন্য ওলামায়ে কেরামের মতামতকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারা সতর্ক করেন, মালিকানা ও ভোগাধিকার পৃথক হলে ভবিষ্যতে নতুন বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে, তাই আইনটি বাস্তবায়নের আগে সুস্পষ্ট বিধান থাকা জরুরি।























