১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীদের গালিগালাজের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ০৫:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 1

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের ‘বেয়াদব’, ‘ধান্দাবাজ’, ‘ভন্ড’ ও ‘ছোটলোক’ বলে গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে ডা. আজাদ তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে শ্বশুয়া চরের একটি ফেসবুক গ্রুপে গালিগালাজ সংবলিত একটি পোস্ট করেন। এর আগে, দৈনিক যুগান্তরের ভূঞাপুর প্রতিনিধি আসাদুল ইসলাম বাবুল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অনিয়ম ও রোগীদের ভোগান্তি নিয়ে একটি পোস্ট করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও উন্নয়নে নজর না দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সভা-সেমিনারে ব্যস্ত থাকেন।

সাংবাদিকের ওই সমালোচনার জবাব না দিয়ে ডা. আজাদ অশালীন ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব হলো হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা। তিনি জানান, সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন অশালীন ভাষা গ্রহণযোগ্য নয়।

ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা ডেকেছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক আসাদুল ইসলাম বাবুল অভিযুক্ত কর্মকর্তার অবিলম্বে প্রত্যাহার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ত্রুটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন তোলা অস্বাভাবিক নয়। তবে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অশালীন আচরণ পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ডা. লুৎফর রহমান আজাদ জানান, তিনি এই ধরনের মন্তব্যের জন্য বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

র‌্যাব-৪ এর নতুন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজ যোগদান করেছেন

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদকর্মীদের গালিগালাজের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৫:৩২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান আজাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের ‘বেয়াদব’, ‘ধান্দাবাজ’, ‘ভন্ড’ ও ‘ছোটলোক’ বলে গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে ডা. আজাদ তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে শ্বশুয়া চরের একটি ফেসবুক গ্রুপে গালিগালাজ সংবলিত একটি পোস্ট করেন। এর আগে, দৈনিক যুগান্তরের ভূঞাপুর প্রতিনিধি আসাদুল ইসলাম বাবুল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক অনিয়ম ও রোগীদের ভোগান্তি নিয়ে একটি পোস্ট করেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও উন্নয়নে নজর না দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সভা-সেমিনারে ব্যস্ত থাকেন।

সাংবাদিকের ওই সমালোচনার জবাব না দিয়ে ডা. আজাদ অশালীন ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান। ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, গণমাধ্যমের নৈতিক দায়িত্ব হলো হাসপাতালের অনিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তোলা। তিনি জানান, সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে এমন অশালীন ভাষা গ্রহণযোগ্য নয়।

ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা ডেকেছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক আসাদুল ইসলাম বাবুল অভিযুক্ত কর্মকর্তার অবিলম্বে প্রত্যাহার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

সচেতন মহলের মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের ত্রুটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন তোলা অস্বাভাবিক নয়। তবে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অশালীন আচরণ পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। ডা. লুৎফর রহমান আজাদ জানান, তিনি এই ধরনের মন্তব্যের জন্য বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নন।