যশোর শহরের লালদীঘিরপাড় এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিলের অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় ৫৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনায় মোট ৫৭ জনকে আটক করেছে।
সোমবার (২ নভেম্বর) পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুজ্জামান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রোববার (১ নভেম্বর) ভোর ৫টা ২০ মিনিটে দড়াটানা মোড়ে দায়িত্বরত পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ২০০ থেকে ২২০ জন নেতাকর্মী লালদীঘিরপাড়ের মাইকপট্টি মোড়ে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীরা পালিয়ে যান।
মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন যুবলীগ নেতা শেখ শহীদ, ইমরান হোসেন খান বাদল, মোহাম্মদ আলী, বিপ্লব হোসেন, তানভীর, রফিকুল ইসলাম রহমত, সানু, রনি, জাফর, রসুল, পারভেজ, আবির, সাজ্জাদুল ইসলাম রকি ওরফে সোহাগ, যশোর মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান শাকিল, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন শাহ, সভাপতি সরোয়ার হোসেন সারু, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর মৌরি ও আবু তাহের, ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহিদুল বিশ্বাস, বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দার রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৌরভ হোসেন অভি, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা রেজওয়ান আলী, মণিরামপুরের ঝাঁপা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান শিবলীসহ আরও অনেকে।
যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অনুসারীরা ভোরের দিকে মিছিলটি করেন। তিনি আরও জানান, যশোরের নয়টি থানায় পুলিশ ও ডিবি পুলিশ নাশকতার অভিযোগে মোট ৪১ জনকে আটক করেছে। এর মধ্যে কোতোয়ালি থানায় ১৭ জন রয়েছেন, যাঁদের সাতজন সরাসরি ওই মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন।


























