১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের সময় তৌফিকের মৃত্যু, রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে

  • আপলোড সময় : ০৭:১৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • 2

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের ভিডিও ধারণের সময় হামলার শিকার তৌফিকের মৃত্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তরাই তৌফিককে হত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ভাঙচুরের ভিডিও করায় তৌফিককে হত্যা করেছে শ্রমিক পরিচয়ধারী আওয়ামী দুর্বৃত্তরা। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ডিসেম্বরকে টার্গেট করে শ্রমিক বিক্ষুব্ধতা ঘটানোর পরিকল্পনা করছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় সিং জিং জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌফিকের মৃত্যু হয়। নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি ২০২৩ সালে ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।

তৌফিকের স্কুলশিক্ষক প্রদীব কুমার জানান, তৌফিক একজন মেধাবী ছাত্র ছিল। পরিবারের অভাব ঘোচাতে ঢাকায় এসে গার্মেন্টসে কাজ শুরু করে। চলমান মজুরি আন্দোলনে তিনি আহত হন এবং পরে হাসপাতালে ভর্তি হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৌফিক গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলা আন্দোলনে অংশ নেন। আন্দোলনের সময় হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীকে দুই শিক্ষার্থীর হাতে লেখা কোরআন ও ছবি উপহার

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের সময় তৌফিকের মৃত্যু, রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে

আপলোড সময় : ০৭:১৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের ভিডিও ধারণের সময় হামলার শিকার তৌফিকের মৃত্যু নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তরাই তৌফিককে হত্যা করেছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, ভাঙচুরের ভিডিও করায় তৌফিককে হত্যা করেছে শ্রমিক পরিচয়ধারী আওয়ামী দুর্বৃত্তরা। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ডিসেম্বরকে টার্গেট করে শ্রমিক বিক্ষুব্ধতা ঘটানোর পরিকল্পনা করছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় সিং জিং জাপান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৌফিকের মৃত্যু হয়। নিহত তৌফিক গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের ছয়ঘরিয়া গ্রামের তবি খাঁর ছেলে। তিনি ২০২৩ সালে ছয়ঘরিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন।

তৌফিকের স্কুলশিক্ষক প্রদীব কুমার জানান, তৌফিক একজন মেধাবী ছাত্র ছিল। পরিবারের অভাব ঘোচাতে ঢাকায় এসে গার্মেন্টসে কাজ শুরু করে। চলমান মজুরি আন্দোলনে তিনি আহত হন এবং পরে হাসপাতালে ভর্তি হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৌফিক গাজীপুরের বাংলাবাজার এলাকায় শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে চলা আন্দোলনে অংশ নেন। আন্দোলনের সময় হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।