ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেসন আরডে পদত্যাগ করেছেন। একাডেমিক যোগ্যতা নিয়ে নতুন তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হওয়ার পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন। ২০২৩ সালে ৩৭ বছর বয়সে অধ্যাপক হয়ে তিনি ক্যামব্রিজের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ অধ্যাপক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন।
বুধবার রাতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত জানান আরডে। এর আগে তার একাডেমিক কাজের বিরুদ্ধে প্লেজিয়ারিজমের অভিযোগ এবং খেলাধুলা ও তহবিল সংগ্রহের সাফল্য নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠছিল।
এক বিবৃতিতে আরডে বলেন, একাডেমিক জীবনে সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও তিনি যে ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন, তা কেবল একাডেমিক মতবিরোধের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ধারাবাহিক অভিযোগ, জল্পনা ও জনসমক্ষে মন্তব্য তার এবং তার কাছের মানুষদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।
তার বিবৃতিটি গুড ল’ প্রজেক্ট নামের একটি প্রচারাভিযানকারী সংগঠন প্রকাশ করে। সংগঠনটি আরডেকে সমর্থন দিয়ে আসছে এবং অভিযোগগুলোকে অপপ্রচার হিসেবে বর্ণনা করেছে।
ক্যামব্রিজে আরডের নিয়োগ তার ব্যক্তিগত সংগ্রামের গল্পের কারণে ব্যাপক আলোচনায় আসে। তিনি জানিয়েছেন, ডিসলেক্সিয়া, বিকাশজনিত বিলম্ব ও অটিজমের কারণে ১১ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি কথা বলতে পারতেন না।
গত মাসে নাথান কোফনাস তার একাডেমিক যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর ২৪ জুলাই দ্য টাইমসে আরডের ২০১৫ সালের পিএইচডি গবেষণাপত্র নিয়ে একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করা হয়। তবে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তদন্ত এখনো চলমান এবং অভিযোগগুলোর চূড়ান্ত সত্যতা সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয়টি।

























