১০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের আলোচকদের বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন খামেনি

  • আপলোড সময় : ০৪:০১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • 5

যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইরানের নির্বাচিত আলোচকদের ‘বিশেষ কিছু ক্ষমতা’ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার (০২ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ নেতা সরকারকে কিছু ক্ষমতাও প্রদান করেছেন।’

এর আগে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বলেও মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি। তিনি বলেন, গত দুই বছরে ওয়াশিংটন কেবল কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতেই ব্যর্থ হয়নি, বরং সক্রিয়ভাবে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বাঘায়ি বলেন, আলোচনায় ইরানের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হবে মার্কিন সরকারের প্রকৃত আচরণ ও বাস্তব পদক্ষেপ। তিনি জানান, ‘বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। ইরানের দাবিগুলো সম্পূর্ণ স্পষ্ট ও যৌক্তিক।’

বাঘায়ি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের বৈধ দাবিগুলো পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিও পুনরায় খুলে দেওয়া বা নিরাপদ করা হবে না।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন ৩ নেত্রী, জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে মতবিরোধ

ইরানের আলোচকদের বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছেন খামেনি

আপলোড সময় : ০৪:০১:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে চলমান আলোচনায় ইরানের নির্বাচিত আলোচকদের ‘বিশেষ কিছু ক্ষমতা’ দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার (০২ নভেম্বর) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ নেতা সরকারকে কিছু ক্ষমতাও প্রদান করেছেন।’

এর আগে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বলেও মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি। তিনি বলেন, গত দুই বছরে ওয়াশিংটন কেবল কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতেই ব্যর্থ হয়নি, বরং সক্রিয়ভাবে কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে।

সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বাঘায়ি বলেন, আলোচনায় ইরানের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হবে মার্কিন সরকারের প্রকৃত আচরণ ও বাস্তব পদক্ষেপ। তিনি জানান, ‘বল এখন যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। ইরানের দাবিগুলো সম্পূর্ণ স্পষ্ট ও যৌক্তিক।’

বাঘায়ি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ইরানের বৈধ দাবিগুলো পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে না। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিও পুনরায় খুলে দেওয়া বা নিরাপদ করা হবে না।