০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

থাইল্যান্ডে উইঘুরদের ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংস্থার সতর্কতা

  • আপলোড সময় : ১০:০১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • 0

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) থাইল্যান্ডের কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে যে, চীনে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো হলে দুই উইঘুর পুরুষ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। সংস্থাটি আজ এ তথ্য জানায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই উইঘুর পুরুষকে রাজকীয় ক্ষমা পাওয়ার পর ব্যাংককের অভিবাসন আটককেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলেইন পিয়ারসন বলেন, থাইল্যান্ডের সরকার অতীতে উইঘুরদের অমানবিক পরিবেশে আটক রেখেছে এবং বেইজিংয়ের দাবির কাছে নতি স্বীকার করে তাঁদের চীনে পাঠিয়েছে। তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে চীনে ফেরত পাঠানোর প্রথা বন্ধ করার আহ্বান জানান।

২০১৪ সাল থেকে আটক থাকা ওই দুই উইঘুর পুরুষের একজনের বয়স আটকের সময় ছিল ১৪ বছর। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীনা দূতাবাস গত আগস্টে তাঁদের ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছিল।

থাইল্যান্ডের অভিবাসন আইন অনুযায়ী, ওই দুই উইঘুর পুরুষের বহিষ্কারের বিরোধিতা না করলে তাঁদের চীনে ফেরত পাঠানো হবে। তবে তাঁদের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তাঁরা চীনে ফেরত যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেননি। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে থাইল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নাহিদ ইসলামকে চুপ থাকার অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের

থাইল্যান্ডে উইঘুরদের ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে মানবাধিকার সংস্থার সতর্কতা

আপলোড সময় : ১০:০১:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) থাইল্যান্ডের কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছে যে, চীনে জোরপূর্বক ফেরত পাঠানো হলে দুই উইঘুর পুরুষ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। সংস্থাটি আজ এ তথ্য জানায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই দুই উইঘুর পুরুষকে রাজকীয় ক্ষমা পাওয়ার পর ব্যাংককের অভিবাসন আটককেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতি হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এইচআরডব্লিউ-এর এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক এলেইন পিয়ারসন বলেন, থাইল্যান্ডের সরকার অতীতে উইঘুরদের অমানবিক পরিবেশে আটক রেখেছে এবং বেইজিংয়ের দাবির কাছে নতি স্বীকার করে তাঁদের চীনে পাঠিয়েছে। তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীকে চীনে ফেরত পাঠানোর প্রথা বন্ধ করার আহ্বান জানান।

২০১৪ সাল থেকে আটক থাকা ওই দুই উইঘুর পুরুষের একজনের বয়স আটকের সময় ছিল ১৪ বছর। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীনা দূতাবাস গত আগস্টে তাঁদের ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছিল।

থাইল্যান্ডের অভিবাসন আইন অনুযায়ী, ওই দুই উইঘুর পুরুষের বহিষ্কারের বিরোধিতা না করলে তাঁদের চীনে ফেরত পাঠানো হবে। তবে তাঁদের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তাঁরা চীনে ফেরত যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেননি। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে থাইল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ।