০১:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওয়াইসির অভিযোগ: মুসলিমদের নিশানা করছে কেন্দ্রীয় সরকার

  • আপলোড সময় : ০৩:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • 1

হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া এবং নয়াদিল্লির কাদেমি মসজিদ ভাঙার উদ্যোগের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মুসলিমদের নিশানা করছে।

ওয়াইসি বলেন, ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে সংখ্যালঘু সংস্কৃতির ওপর আঘাত হানা হচ্ছে। ভোটার তালিকায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকার অভিযোগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রম চলছে, তবে হায়দরাবাদের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই যাচাইয়ে কোনো বিদেশি নাগরিক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর নাম থাকার অজুহাতে দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে গিয়ে দিনমজুরদের কর্মসংস্থান হারাতে হচ্ছে এবং হাজার হাজার মানুষকে সরকারি দপ্তরে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে।

এছাড়া, ওয়াইসি কাদেমি মসজিদ ভাঙার উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন। কেন্দ্রীয় সরকার যুক্তি দিয়েছে, সরকারি সম্পত্তির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের সঙ্গে মসজিদটির অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ওয়াইসি প্রশ্ন তোলেন, যদি সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের উদ্বোধন হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী হয়, তাহলে ঐতিহাসিক মসজিদের অবস্থান ধর্মনিরপন্থী হবে কেন?

তিনি দাবি করেন, কাদেমি মসজিদ ১৯১২ সালের আগেই প্রতিষ্ঠিত ছিল এবং এটি ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। ওয়াইসি কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর হস্তক্ষেপ দাবি করেন এবং মসজিদটির ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদা স্বীকার করার আহ্বান জানান।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সমাজকল্যাণমন্ত্রীর গাড়িবহর আটকে সড়ক সংস্কারের দাবিতে গ্রামবাসীর বিক্ষোভ

ওয়াইসির অভিযোগ: মুসলিমদের নিশানা করছে কেন্দ্রীয় সরকার

আপলোড সময় : ০৩:১৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

হায়দরাবাদের সংসদ সদস্য আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ভারতের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া এবং নয়াদিল্লির কাদেমি মসজিদ ভাঙার উদ্যোগের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকার ও উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মুসলিমদের নিশানা করছে।

ওয়াইসি বলেন, ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে সংখ্যালঘু সংস্কৃতির ওপর আঘাত হানা হচ্ছে। ভোটার তালিকায় অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নাম থাকার অভিযোগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রম চলছে, তবে হায়দরাবাদের জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই যাচাইয়ে কোনো বিদেশি নাগরিক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর সন্ধান পাওয়া যায়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর নাম থাকার অজুহাতে দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন। নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে গিয়ে দিনমজুরদের কর্মসংস্থান হারাতে হচ্ছে এবং হাজার হাজার মানুষকে সরকারি দপ্তরে ছোটাছুটি করতে হচ্ছে।

এছাড়া, ওয়াইসি কাদেমি মসজিদ ভাঙার উদ্যোগেরও সমালোচনা করেন। কেন্দ্রীয় সরকার যুক্তি দিয়েছে, সরকারি সম্পত্তির ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের সঙ্গে মসজিদটির অবস্থান সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ওয়াইসি প্রশ্ন তোলেন, যদি সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের উদ্বোধন হিন্দু ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী হয়, তাহলে ঐতিহাসিক মসজিদের অবস্থান ধর্মনিরপন্থী হবে কেন?

তিনি দাবি করেন, কাদেমি মসজিদ ১৯১২ সালের আগেই প্রতিষ্ঠিত ছিল এবং এটি ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ। ওয়াইসি কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘুবিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুর হস্তক্ষেপ দাবি করেন এবং মসজিদটির ঐতিহাসিক ও আইনি মর্যাদা স্বীকার করার আহ্বান জানান।