০৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

  • আপলোড সময় : ০২:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • 4

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ রোববার (১ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন। রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ শতাংশ বেশি।

জুলাই-অক্টোবর সময়ে মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ এসেছে নিট ও ওভেন পোশাক খাত থেকে। সামগ্রিক রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক খাতের অবদান থেকে।

তবে পোশাকের পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, রাসায়নিক পণ্য এবং হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয় বেড়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

অন্যদিকে, কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, দেশের রপ্তানি আয় বাড়লেও তৈরি পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা রয়েছে। তাই পোশাকবহির্ভূত খাতগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমন গ্রেপ্তার

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে রপ্তানি আয় ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

আপলোড সময় : ০২:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ১৭ দশমিক ০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ১৬ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলার। ফলে এক বছরের ব্যবধানে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৯৬ কোটি ডলার বা ৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ রোববার (১ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছেন। রপ্তানি আয়ের এই প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে তৈরি পোশাক খাত। আলোচ্য সময়ে নিট পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭ শতাংশ বেশি।

জুলাই-অক্টোবর সময়ে মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮০ দশমিক ৪ শতাংশ এসেছে নিট ও ওভেন পোশাক খাত থেকে। সামগ্রিক রপ্তানি আয়ের প্রবৃদ্ধির প্রায় ৮১ শতাংশই এসেছে তৈরি পোশাক খাতের অবদান থেকে।

তবে পোশাকের পাশাপাশি পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, রাসায়নিক পণ্য এবং হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয় বেড়েছে। পাট ও পাটজাত পণ্যে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৮ শতাংশ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যে ১২ দশমিক ৭ শতাংশ এবং রাসায়নিক পণ্যে ২৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

অন্যদিকে, কৃষিপণ্যের রপ্তানি আয় কমেছে ১৩ দশমিক ৫ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করেন, দেশের রপ্তানি আয় বাড়লেও তৈরি পোশাক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা রয়েছে। তাই পোশাকবহির্ভূত খাতগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।