যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অস্পষ্ট মন্তব্য এবং তেহরানের হুমকির কারণে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। আরব আমিরাত যুদ্ধ এড়াতে চাইলেও খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, অন্যদিকে ইসরায়েলও উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকে এই সংঘাত চলমান। ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলা না চালানোর কথা বললেও পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি। রিয়াদের ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্যাটেজিক স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ ফেলো হাসান আল-হাসান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে প্রকৃত বার্তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। অনেক মার্কিন কূটনীতিকের পরিবার গোপনে অঞ্চলটি ছাড়ছে। আবুধাবিতে প্রধান তেল সম্মেলনে মার্কিন তেল কোম্পানির নির্বাহীরা নিরাপত্তাশঙ্কায় অংশগ্রহণ বাতিল করেছেন। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে না।
সংযুক্ত আরব আমিরাত যুদ্ধ এড়াতে চাইলেও খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বাহরাইনের রাজধানী মানামায় এক সম্মেলনে আমিরাতের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাস এ কথা জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, কূটনৈতিক সমাধান আসবে।
ইসরায়েলও যুদ্ধের শঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরু হলে ইসরায়েলকে আগে থেকেই জানানো হবে। গত কয়েক সপ্তাহে ইসরায়েলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিবহন বিমান অবতরণ করেছে এবং বাড়তি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।


























