০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘প্যারেন্ট সার্কেল’ চালু হচ্ছে, শিশুদের পড়াশোনা ও স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখবে অভিভাবকরা

  • আপলোড সময় : ০৫:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • 15

শিশুদের পড়াশোনা ও স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখতে ‘প্যারেন্ট সার্কেল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এ তথ্য জানান।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘কমিউনিটি এনগেজমেন্ট ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, অভিভাবকদের বিদ্যালয়ের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করতে এই কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অভিভাবকরা শিশুদের পড়াশোনা, উপস্থিতি, আচরণ, স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক বিকাশের বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

ববি হাজ্জাজ আরও জানান, বিদ্যালয়কে কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত করতে বন্ধু রেজিস্টার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে যারা প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী, তাদের একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শুধু পাঠদানের স্থান হিসেবে না দেখে শিশু, অভিভাবক ও কমিউনিটির সম্মিলিত অংশগ্রহণের একটি প্রাণবন্ত শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।

সভায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন এনজিও এবং উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এনজিও প্রতিনিধিরা সরকারের চলমান উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মানবপাচার বিরোধী অভিযানে সেনাসদস্য নিহত, আটক ৫ মানবপাচারকারী

‘প্যারেন্ট সার্কেল’ চালু হচ্ছে, শিশুদের পড়াশোনা ও স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখবে অভিভাবকরা

আপলোড সময় : ০৫:৫১:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

শিশুদের পড়াশোনা ও স্বাস্থ্যের খোঁজ রাখতে ‘প্যারেন্ট সার্কেল’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এ তথ্য জানান।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে ‘কমিউনিটি এনগেজমেন্ট ইন প্রাইমারি এডুকেশন’ বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, অভিভাবকদের বিদ্যালয়ের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত করতে এই কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে অভিভাবকরা শিশুদের পড়াশোনা, উপস্থিতি, আচরণ, স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক বিকাশের বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের সুযোগ পাবেন।

ববি হাজ্জাজ আরও জানান, বিদ্যালয়কে কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত করতে বন্ধু রেজিস্টার কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। স্থানীয় পর্যায়ে যারা প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগিতা করতে আগ্রহী, তাদের একটি সংগঠিত প্ল্যাটফর্মের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়কে শুধু পাঠদানের স্থান হিসেবে না দেখে শিশু, অভিভাবক ও কমিউনিটির সম্মিলিত অংশগ্রহণের একটি প্রাণবন্ত শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। এনজিও ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।

সভায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা, বিভিন্ন এনজিও এবং উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এনজিও প্রতিনিধিরা সরকারের চলমান উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতার আলোকে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।