০৬:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংগ্রামকে সঙ্গী করে বিশ্বমানের গবেষণায় অনন্যা খাতুন

  • আপলোড সময় : ০৪:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • 10

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার উজগ্রাম দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়ার মেয়ে মোছা. অনন্যা খাতুন অস্ট্রেলিয়ার দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডে (UQ) পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি গবেষণার সুযোগ অর্জন করেছেন। তাঁর এই সাফল্য প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের এক অনন্য উদাহরণ।

অনন্যার শৈশব বগুড়ার উজগ্রামে কেটেছে। বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। পরিবারের আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি শিক্ষায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন। প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি লাভ করে তিনি পড়াশোনার খরচ বহন করেছেন।

২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনের পর বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হন। ২০১৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পান। এরপর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদে ভর্তি হন এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন।

বর্তমানে অনন্যা হাবিপ্রবির কৃষি অনুষদের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি একাধিক গবেষণা প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ১৩টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

অনন্যা খাতুন বলেন, "স্বপ্ন সব সময় বড় দেখতে হয়, আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হলে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।" তিনি আগামী সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন এবং দেশের কৃষি খাতে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে চান।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে

সংগ্রামকে সঙ্গী করে বিশ্বমানের গবেষণায় অনন্যা খাতুন

আপলোড সময় : ০৪:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার উজগ্রাম দক্ষিণপাড়া ইউনিয়নের মণ্ডলপাড়ার মেয়ে মোছা. অনন্যা খাতুন অস্ট্রেলিয়ার দ্য ইউনিভার্সিটি অব কুইন্সল্যান্ডে (UQ) পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি গবেষণার সুযোগ অর্জন করেছেন। তাঁর এই সাফল্য প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে সংগ্রামের এক অনন্য উদাহরণ।

অনন্যার শৈশব বগুড়ার উজগ্রামে কেটেছে। বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। পরিবারের আর্থিক সংকটের মধ্যেও তিনি শিক্ষায় অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেন। প্রাথমিক ও জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুল বৃত্তি লাভ করে তিনি পড়াশোনার খরচ বহন করেছেন।

২০১১ সালে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনের পর বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজে ভর্তি হন। ২০১৩ সালে এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পান। এরপর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদে ভর্তি হন এবং স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন।

বর্তমানে অনন্যা হাবিপ্রবির কৃষি অনুষদের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি একাধিক গবেষণা প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ১৩টি গবেষণাপত্র আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

অনন্যা খাতুন বলেন, "স্বপ্ন সব সময় বড় দেখতে হয়, আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হলে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়।" তিনি আগামী সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন এবং দেশের কৃষি খাতে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে চান।