১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা-ভাগনির মৃত্যু

  • আপলোড সময় : ০৭:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬
  • 7

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজারে একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা ও ভাগনির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মামীর স্ত্রী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে নতুন বাজারের ১০০ ফিট এলাকায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহীন (২৪) এবং তার ভাগনি হাফছা (৮)। শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে শিশু হাফসার মৃত্যু হয়। এর ৬ ঘণ্টা পর, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে শাহীনও মারা যান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আগস্টে ধর্ষণের শিকার ৫৪ জনের মধ্যে ৩৬ জন কন্যাশিশু: মহিলা পরিষদ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা-ভাগনির মৃত্যু

আপলোড সময় : ০৭:০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬

রাজধানীর ভাটারা থানার নতুন বাজারে একটি বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে মামা ও ভাগনির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মামীর স্ত্রী।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভোরে নতুন বাজারের ১০০ ফিট এলাকায় এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন মো. শাহীন (২৪) এবং তার ভাগনি হাফছা (৮)। শাহীনের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার (২১) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

পরিবার ও প্রতিবেশীরা জানান, বিস্ফোরণে একই পরিবারের তিনজন মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে সকাল সাড়ে ৫টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে শিশু হাফসার মৃত্যু হয়। এর ৬ ঘণ্টা পর, শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে শাহীনও মারা যান।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক শাওন বিন রহমান জানান, শাহীনের শরীরের ৫০ শতাংশ এবং হাফছার ৪০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। ফাহিমার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।