১১:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবদল নেতা সাকের হত্যার ঘটনায় ২০ লাখ টাকা খুনি ভাড়া করতে দেন মারুফ

  • আপলোড সময় : ০৩:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
  • 1

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেনকে হত্যার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মারুফ হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মারুফ সাকেরকে হত্যা করতে ২০ লাখ টাকা খুনি ভাড়া করেন। সাকেরকে ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা বাস টার্মিনালে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বুধবার (৪ নভেম্বর) সাংবাদিকদের জানান, সাকের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন গোলাম জাহিদ এবং মারুফ হোসেন। নিহত সাকের মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে এবং সেখানে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর মজিবর রহমান নামে এক ব্যক্তি স্বর্ণ নিয়ে ঢাকা থেকে ঝিনাইদহের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মারুফের নেতৃত্বে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল পরিবহণটি থামিয়ে ১৪টি স্বর্ণের বার লুট করে। পরে সাকেরের সঙ্গে এই লুটের বিষয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

সাকের হত্যার পর তার স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। অপরদিকে, মজিবর রহমানও লুটের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে গোলাম জাহিদ, মারুফসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে এবং ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে।

পুলিশ সুপার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, বাকি স্বর্ণ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে মানবপাচার বিরোধী অভিযানে সেনাসদস্য নিহত, আটক ৫ মানবপাচারকারী

যুবদল নেতা সাকের হত্যার ঘটনায় ২০ লাখ টাকা খুনি ভাড়া করতে দেন মারুফ

আপলোড সময় : ০৩:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেনকে হত্যার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মারুফ হোসেনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানিয়েছে, মারুফ সাকেরকে হত্যা করতে ২০ লাখ টাকা খুনি ভাড়া করেন। সাকেরকে ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা বাস টার্মিনালে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন বুধবার (৪ নভেম্বর) সাংবাদিকদের জানান, সাকের হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন গোলাম জাহিদ এবং মারুফ হোসেন। নিহত সাকের মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে এবং সেখানে কাউন্টার মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ৬ অক্টোবর মজিবর রহমান নামে এক ব্যক্তি স্বর্ণ নিয়ে ঢাকা থেকে ঝিনাইদহের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে মারুফের নেতৃত্বে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল পরিবহণটি থামিয়ে ১৪টি স্বর্ণের বার লুট করে। পরে সাকেরের সঙ্গে এই লুটের বিষয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

সাকের হত্যার পর তার স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। অপরদিকে, মজিবর রহমানও লুটের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে গোলাম জাহিদ, মারুফসহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে এবং ৬টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে।

পুলিশ সুপার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, বাকি স্বর্ণ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।