সাতক্ষীরার দেবহাটায় পর্নোগ্রাফি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে দেবহাটা উপজেলার চণ্ডীপুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। মামলার বাদী নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহেব আলী অভিযোগ করেছেন যে, মামুন সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে তার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করেছেন।
বাদী জানান, প্রথমে পাঁচ লাখ, পরে তিন লাখ এবং সর্বশেষ এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করে অর্থের পরিমাণ নির্ধারণের প্রস্তাব দিতে শোনা যায় সখিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জিসান বাবুলকে। একাধিক অডিও রেকর্ডিংয়ে বাবুলকে মামুনের সঙ্গে দর-কষাকষি করতে দেখা যায়।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাদীকে ১৫ অক্টোবর ভিডিও পাঠিয়ে ভয় দেখানো হয় এবং ২০ অক্টোবর আবার এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। বাদী দাবি করেছেন যে, প্রথমে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হলেও পরে দর-কষাকষির মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৯ অক্টোবর ও ১ নভেম্বর বাদীর ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। বাদী সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন। মামলায় জিসান বাবুলকে প্রধান আসামি এবং আব্দুল্লাহ আল মামুনকে দ্বিতীয় আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দেবহাটা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান ফরহাদ বলেছেন, দলের নাম করে কোনো অপকর্ম মেনে নেওয়া হবে না। সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জামিল কবির জানান, মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

























