০৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ায় তথ্য গোপন করতে পারবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়

  • আপলোড সময় : ১১:৫১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • 6

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক (পরকীয়া) প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করতে সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের ‘গোপনীয়তার অধিকার’ ব্যবহার করা যাবে না বলে রায় দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, এই অধিকার সীমাহীন নয় এবং জনস্বার্থ কিংবা ন্যায়বিচারের স্বার্থে এর ওপর যৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

মামলাব অভিযুক্ত স্বামী দাবি করেছিলেন, তার মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড এবং হোটেলে থাকার তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা তার মৌলিক গোপনীয়তার অধিকারের লঙ্ঘন। তবে সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

আদালত উল্লেখ করে, হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী পরকীয়া বিবাহবিচ্ছেদের বৈধ কারণ। তাই পরকীয়া প্রমাণে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে গোপনীয়তার অধিকারকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মামলার তথ্যানুযায়ী, ১৯৯৮ সালে ওই দম্পতির বিয়ে হয় এবং ২০০০ সালে তাদের একটি কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে। পরে স্ত্রী অভিযোগ করেন, তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে জয়পুরের একটি হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন এবং স্বামীর কল রেকর্ড ও হোটেলে থাকার তথ্য আদালতে চেয়ে আবেদন জানান।

পারিবারিক আদালত ও পরে দিল্লি হাইকোর্ট সেই আবেদন মঞ্জুর করে, যা শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টও বহাল রাখে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে এনবিআরের নতুন নির্দেশনা

পরকীয়ায় তথ্য গোপন করতে পারবে না: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়

আপলোড সময় : ১১:৫১:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক (পরকীয়া) প্রমাণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন করতে সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদের ‘গোপনীয়তার অধিকার’ ব্যবহার করা যাবে না বলে রায় দিয়েছে। আদালত জানিয়েছে, এই অধিকার সীমাহীন নয় এবং জনস্বার্থ কিংবা ন্যায়বিচারের স্বার্থে এর ওপর যৌক্তিক বিধিনিষেধ আরোপ করা যেতে পারে।

মামলাব অভিযুক্ত স্বামী দাবি করেছিলেন, তার মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড এবং হোটেলে থাকার তথ্য আদালতে উপস্থাপন করা তার মৌলিক গোপনীয়তার অধিকারের লঙ্ঘন। তবে সুপ্রিম কোর্ট দিল্লি হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।

আদালত উল্লেখ করে, হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী পরকীয়া বিবাহবিচ্ছেদের বৈধ কারণ। তাই পরকীয়া প্রমাণে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে গোপনীয়তার অধিকারকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

মামলার তথ্যানুযায়ী, ১৯৯৮ সালে ওই দম্পতির বিয়ে হয় এবং ২০০০ সালে তাদের একটি কন্যাসন্তান জন্মগ্রহণ করে। পরে স্ত্রী অভিযোগ করেন, তার স্বামী অন্য এক নারীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে জয়পুরের একটি হোটেলে অবস্থান করেছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেন এবং স্বামীর কল রেকর্ড ও হোটেলে থাকার তথ্য আদালতে চেয়ে আবেদন জানান।

পারিবারিক আদালত ও পরে দিল্লি হাইকোর্ট সেই আবেদন মঞ্জুর করে, যা শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টও বহাল রাখে।