১০:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিলন্ডারিং মামলায় রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাসের চার দিনের রিমান্ড

  • আপলোড সময় : ১২:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • 7

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন।

আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর কেএম রাকিবুল হুদা। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। আসামির আইনজীবী আদালতে বলেন, মানি লন্ডারিংয়ের ব্যাপারে অভিযোগে কিছু নেই এবং তিনি ধর্মের পথের লোক।

আদালতে হরিদাস বলেন, ‘আমি একজন কৃষক ছিলাম, এখন মন্দির পরিচালনা করি। মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া টাকা যদি অন্যায় কাজে পরিচালনা করি, তাহলে সেটা দেখা হোক।’ বিচারক তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ভক্তদের দেওয়া টাকা কি-না, তিনি ‘জ্বি’ বলেন।

তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, আসামির বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তার নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

গত ১২ জুলাই রাতে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ফিরলেন বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাস

মানিলন্ডারিং মামলায় রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাসের চার দিনের রিমান্ড

আপলোড সময় : ১২:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোক্তা শ্রী হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) বিকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন।

আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর কেএম রাকিবুল হুদা। আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিলের আবেদন করেন। আসামির আইনজীবী আদালতে বলেন, মানি লন্ডারিংয়ের ব্যাপারে অভিযোগে কিছু নেই এবং তিনি ধর্মের পথের লোক।

আদালতে হরিদাস বলেন, ‘আমি একজন কৃষক ছিলাম, এখন মন্দির পরিচালনা করি। মন্দিরে ভক্তদের দেওয়া টাকা যদি অন্যায় কাজে পরিচালনা করি, তাহলে সেটা দেখা হোক।’ বিচারক তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ভক্তদের দেওয়া টাকা কি-না, তিনি ‘জ্বি’ বলেন।

তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, আসামির বিরুদ্ধে হুন্ডির মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তার নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেনের তথ্য মিলেছে।

গত ১২ জুলাই রাতে ঢাকার সিআইডির একটি বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।