১০:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙামাটিতে ইয়াবাসহ গণ অধিকার পরিষদের নেতা গ্রেপ্তার

  • আপলোড সময় : ০৫:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • 6

রাঙামাটিতে তিন হাজার ইয়াবা বড়িসহ গণ অধিকার পরিষদের নেতা জলমনি চাকমা (৪৯) এবং তার সহযোগী বাবু তঞ্চঙ্গ্যা (৩৮) গ্রেপ্তার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের মারী স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে রাত ১১টার দিকে কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

জলমনি চাকমা সংগঠনটির রাঙামাটি জেলা শাখার সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাবু তঞ্চঙ্গ্যা বিলাইছড়ি উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপ্পাছড়ি এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়, যখন তারা ইয়াবা বিক্রি করার জন্য ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন।

রাঙামাটি সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক সেকেন্দার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হবে এবং আদালতে পাঠানো হবে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে, যাতে ওই মাদক চক্রের অন্যান্য সদস্য, ইয়াবার উৎস ও সরবরাহের রুট সম্পর্কে তথ্য উদ্‌ঘাটন করা যায়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গলাচিপায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংঘর্ষের ঘটনা

রাঙামাটিতে ইয়াবাসহ গণ অধিকার পরিষদের নেতা গ্রেপ্তার

আপলোড সময় : ০৫:২৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটিতে তিন হাজার ইয়াবা বড়িসহ গণ অধিকার পরিষদের নেতা জলমনি চাকমা (৪৯) এবং তার সহযোগী বাবু তঞ্চঙ্গ্যা (৩৮) গ্রেপ্তার হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সন্ধ্যায় শহরের মারী স্টেডিয়ামের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে রাত ১১টার দিকে কোতোয়ালি থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইয়াবা উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

জলমনি চাকমা সংগঠনটির রাঙামাটি জেলা শাখার সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাবু তঞ্চঙ্গ্যা বিলাইছড়ি উপজেলার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ধোপ্পাছড়ি এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়, যখন তারা ইয়াবা বিক্রি করার জন্য ওই এলাকায় উপস্থিত ছিলেন।

রাঙামাটি সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক সেকেন্দার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হবে এবং আদালতে পাঠানো হবে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে, যাতে ওই মাদক চক্রের অন্যান্য সদস্য, ইয়াবার উৎস ও সরবরাহের রুট সম্পর্কে তথ্য উদ্‌ঘাটন করা যায়।