০৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২০৩০ সালের মধ্যে সব ধর্মীয় উপাসনালয় সম্মানিভাতার আওতায় আসবে: রাষ্ট্রপতি

  • আপলোড সময় : ০৪:০৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • 4

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়, বিশেষ করে মসজিদ, মাসিক সম্মানিভাতার আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আজ মঙ্গলবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতোমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানিভাতা প্রদান শুরু হয়েছে এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের সেবাদানকারীদের জন্যও সম্মানিভাতা দেয়ার কার্যক্রম চলছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী সংস্কৃতির সঙ্গে জাতীয় জীবনের সম্পর্ক গভীর। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সংবিধানে ‘‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’’ সংযোজন করেন এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভেদ ও প্রতিহিংসা কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না। তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণী ধারণ করে গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। অনুষ্ঠানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, বায়তুল মোকাররমের খতিব এবং দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী ও নাটোর জেলার দায়িত্ব পেলেন ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

২০৩০ সালের মধ্যে সব ধর্মীয় উপাসনালয় সম্মানিভাতার আওতায় আসবে: রাষ্ট্রপতি

আপলোড সময় : ০৪:০৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সব ধর্মীয় উপাসনালয়, বিশেষ করে মসজিদ, মাসিক সম্মানিভাতার আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আজ মঙ্গলবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার ধর্মীয় নেতাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতোমধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের মাসিক সম্মানিভাতা প্রদান শুরু হয়েছে এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ের সেবাদানকারীদের জন্যও সম্মানিভাতা দেয়ার কার্যক্রম চলছে।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ইসলামী সংস্কৃতির সঙ্গে জাতীয় জীবনের সম্পর্ক গভীর। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সংবিধানে ‘‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’’ সংযোজন করেন এবং ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিভেদ ও প্রতিহিংসা কোনো জাতিকে শক্তিশালী করে না। তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ধর্মের শান্তি, ন্যায় ও সম্প্রীতির মর্মবাণী ধারণ করে গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। অনুষ্ঠানে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক, বায়তুল মোকাররমের খতিব এবং দেশের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা উপস্থিত ছিলেন।