০৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেপালে হিমবাহধসের পর মার্কিন দম্পতির বেঁচে ফেরার কাহিনী

  • আপলোড সময় : ০৪:০২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • 4

নেপালে সম্প্রতি হিমবাহধস থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কবল থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন দম্পতি। ফিরে এসে তারা সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যেখানে তারা পাহাড়ের ওপর থেকে দ্রুত নেমে আসা কাদা ও পানির স্রোতকে ‘সুনামি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

বেঁচে যাওয়া দম্পতি হলেন অঞ্জনা রাজা (৫২) ও পট্টাভিরামন ভেঙ্কটেশন (৫৬)। নেপালে তারা পেশাদার গাইডের অধীনে ভ্রমণ করছিলেন, যখন এই দুর্যোগের মুখে পড়েন। কাঠমান্ডুতে সিএনএনের প্রতিনিধি উইল রিপলিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা জানান, গাইডের তৎপরতার কারণে তারা প্রাণে বেঁচে গেছেন। বন্যা শুরু হওয়ার পর গাইড তাদের দ্রুত পাহাড়ের উঁচুতে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।

এদিকে, নেপালে হিমবাহধস থেকে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৫৪৭ জনে পৌঁছেছে। গত বুধবারের এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪৭৩ জন। এখনো অন্তত ৯৭৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক।

নেপালের পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, অঞ্জনা ও পট্টাভিরামনসহ এখন পর্যন্ত ১২১ জন বিদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করেছে নেপাল সরকার। উদ্ধারকাজে পুলিশের সাড়ে চার হাজারের বেশি সদস্য অংশ নিচ্ছেন এবং দুর্গত এলাকায় ১ হাজার ২০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টেও একই অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং নেপাল ও চীনের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসা ছাত্রদের দাবি: গান বন্ধ করতে যায়নি, শব্দ কমাতে বলেছিল

নেপালে হিমবাহধসের পর মার্কিন দম্পতির বেঁচে ফেরার কাহিনী

আপলোড সময় : ০৪:০২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

নেপালে সম্প্রতি হিমবাহধস থেকে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের কবল থেকে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক মার্কিন দম্পতি। ফিরে এসে তারা সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যেখানে তারা পাহাড়ের ওপর থেকে দ্রুত নেমে আসা কাদা ও পানির স্রোতকে ‘সুনামি’র সঙ্গে তুলনা করেছেন।

বেঁচে যাওয়া দম্পতি হলেন অঞ্জনা রাজা (৫২) ও পট্টাভিরামন ভেঙ্কটেশন (৫৬)। নেপালে তারা পেশাদার গাইডের অধীনে ভ্রমণ করছিলেন, যখন এই দুর্যোগের মুখে পড়েন। কাঠমান্ডুতে সিএনএনের প্রতিনিধি উইল রিপলিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারা জানান, গাইডের তৎপরতার কারণে তারা প্রাণে বেঁচে গেছেন। বন্যা শুরু হওয়ার পর গাইড তাদের দ্রুত পাহাড়ের উঁচুতে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।

এদিকে, নেপালে হিমবাহধস থেকে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৫৪৭ জনে পৌঁছেছে। গত বুধবারের এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন আরও ১ হাজার ৪৭৩ জন। এখনো অন্তত ৯৭৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫১৭ জন বিদেশি নাগরিক।

নেপালের পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, অঞ্জনা ও পট্টাভিরামনসহ এখন পর্যন্ত ১২১ জন বিদেশিকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্যোগকবলিত এলাকাগুলোতে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান আরও জোরদার করেছে নেপাল সরকার। উদ্ধারকাজে পুলিশের সাড়ে চার হাজারের বেশি সদস্য অংশ নিচ্ছেন এবং দুর্গত এলাকায় ১ হাজার ২০০ সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টেও একই অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং নেপাল ও চীনের মধ্যে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।