০৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রথম যৌথ প্রতিরক্ষা বৈঠক ইস্তাম্বুলে

  • আপলোড সময় : ০২:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • 0

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে গঠিত নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক সোমবার (৩১ আগস্ট) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বৈঠকে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানরা অংশ নেবেন।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, চলতি আগস্টে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র অধীনেই এ বৈঠক হচ্ছে। গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এ চুক্তির মাধ্যমে সুন্নি মুসলিম ও মার্কিন মিত্র এ তিন দেশ একসঙ্গে এসেছে। ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা।

চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে গণ্য হবে।

ইস্তাম্বুল বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জোটের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো, সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতার বিষয়গুলো আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানা গেছে।

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক বলেছে, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান ও প্রধান তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের সঙ্গে এ জোটের সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। মিসরকে সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে বিবেচনার কথাও আঙ্কারা জানিয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নেপালে বন্যায় প্রধান শিক্ষকের সাহসী পদক্ষেপে ১৬৪৩ শিক্ষার্থীর প্রাণ রক্ষা

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রথম যৌথ প্রতিরক্ষা বৈঠক ইস্তাম্বুলে

আপলোড সময় : ০২:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে গঠিত নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক সোমবার (৩১ আগস্ট) ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই বৈঠকে তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও সেনাপ্রধানরা অংশ নেবেন।

তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, চলতি আগস্টে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র অধীনেই এ বৈঠক হচ্ছে। গত ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত এ চুক্তির মাধ্যমে সুন্নি মুসলিম ও মার্কিন মিত্র এ তিন দেশ একসঙ্গে এসেছে। ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক সংঘাত নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা।

চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলা। এতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা বাকি দুই দেশের ওপরও হামলা হিসেবে গণ্য হবে।

ইস্তাম্বুল বৈঠকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জোটের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো, সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতার বিষয়গুলো আলোচনায় উঠতে পারে বলে জানা গেছে।

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক বলেছে, পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান ও প্রধান তেল রপ্তানিকারক সৌদি আরবের সঙ্গে এ জোটের সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। মিসরকে সম্ভাব্য সদস্য হিসেবে বিবেচনার কথাও আঙ্কারা জানিয়েছে।