১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের উত্তরপ্রদেশে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১১

  • আপলোড সময় : ০৫:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • 1

ভারতের উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বী জেলায় একটি আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। বিস্ফোরণের ফলে কারখানার পাশাপাশি আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ধসে পড়েছে। পুলিশ ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে কৌশাম্বী জেলার মানৌরি গ্রামের পিপরি থানার আওতাধীন এলাকায় মানৌরি পাওয়ার হাউসের কাছে এ বিস্ফোরণ ঘটে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিএম) অমিত পাল জানান, বিস্ফোরণের পর আহত ১১ জনকে প্রয়াগরাজের এসআরএন হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। গুরুতর আহত আরও পাঁচজন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিস্ফোরণের তীব্রতায় কারখানাটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পাশের পাঁচ থেকে ছয়টি বাড়িও ধসে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

ঘটনার কারণে দিল্লি-হাওড়া রেলপথে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। বিস্ফোরণস্থলের কাছে পৌঁছে যাওয়া আজমের-শিয়ালদহ এক্সপ্রেসকে মানৌরি রেলস্টেশনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, দিল্লি থেকে বারাণসীগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘটনাস্থলের আগের স্টেশন সৈয়দ সরাওয়ান রেলস্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবকের গলায় জুতার মালা পরানোর ঘটনা

ভারতের উত্তরপ্রদেশে আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১১

আপলোড সময় : ০৫:৪৩:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের উত্তরপ্রদেশের কৌশাম্বী জেলায় একটি আতশবাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন। বিস্ফোরণের ফলে কারখানার পাশাপাশি আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ধসে পড়েছে। পুলিশ ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে কৌশাম্বী জেলার মানৌরি গ্রামের পিপরি থানার আওতাধীন এলাকায় মানৌরি পাওয়ার হাউসের কাছে এ বিস্ফোরণ ঘটে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (ডিএম) অমিত পাল জানান, বিস্ফোরণের পর আহত ১১ জনকে প্রয়াগরাজের এসআরএন হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান। গুরুতর আহত আরও পাঁচজন একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বিস্ফোরণের তীব্রতায় কারখানাটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পাশের পাঁচ থেকে ছয়টি বাড়িও ধসে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

ঘটনার কারণে দিল্লি-হাওড়া রেলপথে প্রায় এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়। বিস্ফোরণস্থলের কাছে পৌঁছে যাওয়া আজমের-শিয়ালদহ এক্সপ্রেসকে মানৌরি রেলস্টেশনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। অন্যদিকে, দিল্লি থেকে বারাণসীগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসকে ঘটনাস্থলের আগের স্টেশন সৈয়দ সরাওয়ান রেলস্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়।