০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে স্বামীকে হত্যা: স্ত্রী ও দেবরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • আপলোড সময় : ০৭:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 0

ফরিদপুরে স্বামী নুরুল ইসলাম মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে তার স্ত্রী মুন্নি বেগম ও দেবর মাহাবুল মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুন্নি বেগম (৩৫) আদালতে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু মাহাবুল মোল্লা (৩৪) আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১৭ মার্চ রাতে খাবার খেয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন নুরুল ইসলাম ও মুন্নি। রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুন্নির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা এসে নুরুল ইসলামের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।

নিহতের বাবা মান্নান মোল্লা ১৯ মার্চ সালথা থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই আলমগীর হোসেন তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি মুন্নি ও মাহাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মো. আজিজুর রহমান বলেন, মুন্নি ও মাহাবুল পরস্পর যোগসাজশে নুরুল ইসলামকে হত্যা করেছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতার পেছনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আক্রমণের অভিযোগ

ফরিদপুরে স্বামীকে হত্যা: স্ত্রী ও দেবরের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপলোড সময় : ০৭:৫৯:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ফরিদপুরে স্বামী নুরুল ইসলাম মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে তার স্ত্রী মুন্নি বেগম ও দেবর মাহাবুল মোল্লাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ফরিদপুরের পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক অশোক কুমার দত্ত এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মুন্নি বেগম (৩৫) আদালতে উপস্থিত ছিলেন, কিন্তু মাহাবুল মোল্লা (৩৪) আদালতে উপস্থিত না থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১৭ মার্চ রাতে খাবার খেয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন নুরুল ইসলাম ও মুন্নি। রাত সাড়ে ৩টার দিকে মুন্নির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা এসে নুরুল ইসলামের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান।

নিহতের বাবা মান্নান মোল্লা ১৯ মার্চ সালথা থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ফরিদপুর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এসআই আলমগীর হোসেন তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি মুন্নি ও মাহাবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মো. আজিজুর রহমান বলেন, মুন্নি ও মাহাবুল পরস্পর যোগসাজশে নুরুল ইসলামকে হত্যা করেছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।