০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ চীন থেকে নতুন যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে

  • আপলোড সময় : ০২:০৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 3

বাংলাদেশ চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সম্প্রতি জানিয়েছেন, যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের জে-১০ সি ই যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। পাকিস্তান-ভারত সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানটি আলোচনায় আসে, যখন পাকিস্তান দাবি করে যে তারা ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।

বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধবিমান ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পাওয়া মিগ-২১, যা ১৯৭৩-৭৪ সালে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ১৯৭৭ সালে চীন থেকে এফ-৬ যুদ্ধবিমান কেনা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর বহর পুরনো হয়ে পড়েছে। সরকারিভাবে বিমানবাহিনীর বর্তমান যুদ্ধবিমানের সংখ্যা প্রকাশ করা না হলেও, আধুনিকায়নের জন্য চীনা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে।

বাংলাদেশের নৌবাহিনীও চীনের তৈরি সাবমেরিন ও রণতরী ব্যবহার করছে। সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চীনের সরঞ্জাম ক্রয় অব্যাহত রয়েছে, যা দেশের সামরিক আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে বরযাত্রীর গাড়ি আটকে সংঘর্ষ, আহত ৪৬

বাংলাদেশ চীন থেকে নতুন যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে

আপলোড সময় : ০২:০৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ চীন থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান কেনার পরিকল্পনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সম্প্রতি জানিয়েছেন, যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।

বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের জে-১০ সি ই যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। পাকিস্তান-ভারত সংঘাতে এই যুদ্ধবিমানটি আলোচনায় আসে, যখন পাকিস্তান দাবি করে যে তারা ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে।

বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধবিমান ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পাওয়া মিগ-২১, যা ১৯৭৩-৭৪ সালে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। এরপর ১৯৭৭ সালে চীন থেকে এফ-৬ যুদ্ধবিমান কেনা হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিমানবাহিনীর বহর পুরনো হয়ে পড়েছে। সরকারিভাবে বিমানবাহিনীর বর্তমান যুদ্ধবিমানের সংখ্যা প্রকাশ করা না হলেও, আধুনিকায়নের জন্য চীনা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীলতা বাড়ছে।

বাংলাদেশের নৌবাহিনীও চীনের তৈরি সাবমেরিন ও রণতরী ব্যবহার করছে। সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য চীনের সরঞ্জাম ক্রয় অব্যাহত রয়েছে, যা দেশের সামরিক আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।