০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদ্রাসায় শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আসিফ নজরুল

  • আপলোড সময় : ০৮:২৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • 22

মাদ্রাসায় শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি শীর্ষ আলেম ও ধর্মীয় বক্তাদের এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

২৩ অক্টোবর দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশের আলেম সমাজে অনেক শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি আছেন, কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষকসহ কিছু আলেম শিশুদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপরাধে লিপ্ত রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এসব অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সংখ্যা কম হলেও তা নগণ্য নয়।

আসিফ নজরুল বলেন, আলেম সমাজের একটি বড় অংশ এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে কখনো সোচ্চার হয় না। তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ধর্মীয় বক্তারা নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলেন না। তিনি সতর্ক করেন যে, এ ধরনের নীরবতা আলেম সমাজের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমিয়ে দিতে পারে।

পোস্টের শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আলেম সমাজের নেতৃত্ব অচিরেই এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দেবেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের নৈতিক সাহস থাকলে গোপালগঞ্জে পথসভা করার আহ্বান রাশেদ খাঁনের

মাদ্রাসায় শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আসিফ নজরুল

আপলোড সময় : ০৮:২৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

মাদ্রাসায় শিশু বলাৎকার ও ধর্ষণের মতো অপরাধের বিরুদ্ধে আলেম সমাজের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাবেক আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি শীর্ষ আলেম ও ধর্মীয় বক্তাদের এসব অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

২৩ অক্টোবর দিবাগত রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশের আলেম সমাজে অনেক শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি আছেন, কিন্তু মাদ্রাসার শিক্ষকসহ কিছু আলেম শিশুদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অপরাধে লিপ্ত রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এসব অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সংখ্যা কম হলেও তা নগণ্য নয়।

আসিফ নজরুল বলেন, আলেম সমাজের একটি বড় অংশ এসব অপরাধীর বিরুদ্ধে কখনো সোচ্চার হয় না। তিনি প্রশ্ন করেন, কেন ধর্মীয় বক্তারা নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘটিত এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলেন না। তিনি সতর্ক করেন যে, এ ধরনের নীরবতা আলেম সমাজের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা কমিয়ে দিতে পারে।

পোস্টের শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, আলেম সমাজের নেতৃত্ব অচিরেই এসব অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বক্তব্য দেবেন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন।