০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-পেমেন্ট ক্রেডিট সুবিধা চালু

  • আপলোড সময় : ০৪:২৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 7

বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল লেনদেনকে সহজতর করতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে বিভিন্ন বিল ও সেবার মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা মেনে ই-পেমেন্ট ক্রেডিট ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার ফি, টোল ও টিকিটের মূল্য, কর ও সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি, বীমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য ব্যয় পরিশোধ করতে পারবেন।

ঋণের পরিমাণ ও পরিশোধের মেয়াদ অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সাত দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি নেওয়া যাবে। ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে সাত দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রাহককে ঋণের ধরন, পরিমাণ, নির্ধারিত ফি, মেয়াদ ও পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল ক্রেডিট স্কোরিং পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রাহকের ঝুঁকি বিবেচনায় ঋণসীমা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘায়িত প্রভাব নিয়ে আলোচনা

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ই-পেমেন্ট ক্রেডিট সুবিধা চালু

আপলোড সময় : ০৪:২৯:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল লেনদেনকে সহজতর করতে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ সুবিধা চালুর নির্দেশ দিয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকরা নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে বিভিন্ন বিল ও সেবার মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে ডিজিটাল মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে। সার্কুলারে দেশের সব তফসিলি ব্যাংককে নির্দেশনা মেনে ই-পেমেন্ট ক্রেডিট ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।

সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়েছে, একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস, মোবাইল রিচার্জ, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবার ফি, টোল ও টিকিটের মূল্য, কর ও সরকারি ফি, আমানতের কিস্তি, বীমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত অন্যান্য ব্যয় পরিশোধ করতে পারবেন।

ঋণের পরিমাণ ও পরিশোধের মেয়াদ অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ৫০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে সাত দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৪ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ৬ টাকা ফি নেওয়া যাবে। ৭ হাজার ১ টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণে সাত দিনের জন্য সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা, ১৫ দিনের জন্য ৭০ টাকা এবং ৩০ দিনের জন্য ১৩০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

গ্রাহককে ঋণের ধরন, পরিমাণ, নির্ধারিত ফি, মেয়াদ ও পরিশোধের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে। ব্যাংকগুলোকে ডিজিটাল ক্রেডিট স্কোরিং পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রাহকের ঝুঁকি বিবেচনায় ঋণসীমা নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে।