চট্টগ্রামের দোহাজারীতে মাদক বিক্রি ও সেবনে বাধা দেওয়ার কারণে শাহাব উদ্দীন (৪৬) নামের এক ব্যক্তির ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বাদশা মিয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। হামলার সময় শাহাব উদ্দীনের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে দোহাজারী পৌর এলাকার রায়জোয়ারা জলদাসপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। শাহাব উদ্দীন ওই এলাকার সাবের আহমদের ছেলে এবং পেশায় একজন প্রাইভেট পরিবহন চালক। আহত ব্যক্তি জানান, কয়েক মাস আগে বাদশার ছেলে রিজভীকে মাদক সেবনকালে আটক করা হয়েছিল। তখন বেশ কিছু ইয়াবা ও সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। পরে বাদশার পরিবার মুচলেকা দিয়ে রিজভীকে ছাড়িয়ে নেয়।
শাহাব উদ্দীন অভিযোগ করেন, হামলার আগে বাদশা ও তাঁর পরিবার তাঁকে ভিডিও মুছে ফেলার জন্য চাপ দিচ্ছিল। ঘটনার দিন রাতে তিনি তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা তাঁকে মারধর করে এবং টাকা ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
দোহাজারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, শাহাব উদ্দীনের মাথায় ৮টি সেলাই দেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য স্থানে আঘাত রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
অভিযুক্ত বাদশা হামলার বিষয়ে কিছু জানেন না দাবি করে বলেন, শাহাব উদ্দীন তাঁর বাড়িতে হামলা করতে গিয়ে আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, বাদশা নিজেকে জাতীয় পার্টির নেতা পরিচয় দেন এবং এলাকায় মাদক ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত।























