০৮:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেবিচক প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের বদলি, তদন্ত চলছে

  • আপলোড সময় : ০২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
  • 7

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বেবিচকের অফিস আদেশে তাকে নতুন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

শরিফুল ইসলাম ছিলেন বেবিচকের সিভিল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। তাকে ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশনস বিভাগের পরিচালক (এরোড্রাম স্ট্যান্ডার্ড) পদে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বদলির প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, এটি কি শাস্তির অংশ কিনা।

দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। ৭ জুন প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার কর্মকালে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়। তদন্তের জন্য একটি সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বেবিচক সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিল। এছাড়া, ২০২০ সালে দুদকের অনুসন্ধান টিম তাকে তলব করে। ২০২১-২২ অর্থবছরে কাওলায় বেবিচক কোয়ার্টারের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগও রয়েছে।

বেবিচক সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান জানিয়েছেন, বদলি অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের পদ্ধতি জানালো সরকার

বেবিচক প্রকৌশলী শরিফুল ইসলামের বদলি, তদন্ত চলছে

আপলোড সময় : ০২:৪৮:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বেবিচকের অফিস আদেশে তাকে নতুন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।

শরিফুল ইসলাম ছিলেন বেবিচকের সিভিল বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী। তাকে ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশনস বিভাগের পরিচালক (এরোড্রাম স্ট্যান্ডার্ড) পদে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বদলির প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন বিভাগের কর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে, এটি কি শাস্তির অংশ কিনা।

দৈনিক কালবেলায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের পর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। ৭ জুন প্রকাশিত প্রতিবেদনে তার কর্মকালে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরা হয়। তদন্তের জন্য একটি সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বেবিচক সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অতীতে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। ২০১৭ সালে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছিল। এছাড়া, ২০২০ সালে দুদকের অনুসন্ধান টিম তাকে তলব করে। ২০২১-২২ অর্থবছরে কাওলায় বেবিচক কোয়ার্টারের রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগও রয়েছে।

বেবিচক সদস্য (প্রশাসন) এস এম লাবলুর রহমান জানিয়েছেন, বদলি অভিযোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয় এবং এটি একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।