০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটে পাইলটের গাঁজা সেবনের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ০৮:১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • 10

থাইল্যান্ডের ফুকেত থেকে নয়াদিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে মাঝআকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি ও ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে পাইলটের বিরুদ্ধে গাঁজা সেবনের অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

৪ আগস্ট এআই-২৩৭৯ ফ্লাইটটি ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। উড্ডয়নকালীন বিমানটি আকস্মিকভাবে তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়ে এবং প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী এবং চারজন কেবিন ক্রু আহত হন। আহতদের মধ্যে দুই ক্রুর মেরুদণ্ড ও ঘাড়ে মারাত্মক চোট লেগেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিমানটি যখন নিচে নেমে যাচ্ছিল, তখন প্রধান পাইলট ককপিটে ছিলেন না। কো-পাইলট উড়োজাহাজটি পরিচালনা করছিলেন। আকস্মিক পতনের ফলে ককপিটের বিভিন্ন সরঞ্জাম শূন্যে ভেসে ওঠে এবং সিটবেল্ট না বাঁধা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।

দিল্লিতে অবতরণের পর পাইলটদের ড্রাগ টেস্ট করা হয়। প্রথম দফার পরীক্ষায় প্রধান পাইলটের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। দ্বিতীয় দফার পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় যে তিনি গাঁজা সেবন করেছিলেন। এই ফলাফলের ভিত্তিতে তাকে এবং কো-পাইলটকে উড়োজাহাজ চালানোর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘মারাত্মক দুর্ঘটনা’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু জানিয়েছেন, আকাশপথে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইমরান খানের সন্তানদের সাক্ষাৎকার, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ম্যাচ বয়কটের হুমকি

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী ফ্লাইটে পাইলটের গাঁজা সেবনের অভিযোগ

আপলোড সময় : ০৮:১১:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

থাইল্যান্ডের ফুকেত থেকে নয়াদিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে মাঝআকাশে ভয়াবহ ঝাঁকুনি ও ৩০০ ফুট নিচে নেমে যাওয়ার ঘটনার তদন্তে পাইলটের বিরুদ্ধে গাঁজা সেবনের অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

৪ আগস্ট এআই-২৩৭৯ ফ্লাইটটি ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। উড্ডয়নকালীন বিমানটি আকস্মিকভাবে তীব্র ঝাঁকুনির মুখে পড়ে এবং প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী এবং চারজন কেবিন ক্রু আহত হন। আহতদের মধ্যে দুই ক্রুর মেরুদণ্ড ও ঘাড়ে মারাত্মক চোট লেগেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিমানটি যখন নিচে নেমে যাচ্ছিল, তখন প্রধান পাইলট ককপিটে ছিলেন না। কো-পাইলট উড়োজাহাজটি পরিচালনা করছিলেন। আকস্মিক পতনের ফলে ককপিটের বিভিন্ন সরঞ্জাম শূন্যে ভেসে ওঠে এবং সিটবেল্ট না বাঁধা যাত্রীরা গুরুতর আহত হন।

দিল্লিতে অবতরণের পর পাইলটদের ড্রাগ টেস্ট করা হয়। প্রথম দফার পরীক্ষায় প্রধান পাইলটের শরীরে মাদকের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। দ্বিতীয় দফার পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় যে তিনি গাঁজা সেবন করেছিলেন। এই ফলাফলের ভিত্তিতে তাকে এবং কো-পাইলটকে উড়োজাহাজ চালানোর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে ‘মারাত্মক দুর্ঘটনা’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। বিমান পরিবহন মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু জানিয়েছেন, আকাশপথে নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।