০২:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৃত শিক্ষকের বেতন তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াত নেতা মো. মহিউদ্দিন

  • আপলোড সময় : ০৫:৫৯:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • 15

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিন মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর জালিয়াতি করে ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এই অভিযোগ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

রোববার (২ আগস্ট) রাতে তজুমদ্দিন উপজেলা শহরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তার মূল ব্যাংক একাউন্ট নম্বর ৮০৫, যা থেকে তিনি বিগত ১৭ বছর ধরে নিয়মমাফিক বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। তিনি বলেন, ৪৬০৬ একাউন্ট ও ইনডেক্সের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

মহিউদ্দিন অভিযোগ করেন, তার নামের সাদৃশ্যের কারণে প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অসত্য তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, জেলা জামায়াতে ইসলামীও মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, এই অভিযোগ একটি মিথ্যা প্রোপাগান্ডা।

মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান অভিযোগ করেছেন যে, মহিউদ্দিন ২০০৬ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি মৃত শিক্ষকের ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করছেন। পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় এক দিনের ছুটিতে ঘুরে দেখার জন্য ২০ ঐতিহাসিক স্থান

মৃত শিক্ষকের বেতন তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াত নেতা মো. মহিউদ্দিন

আপলোড সময় : ০৫:৫৯:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিন মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর জালিয়াতি করে ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এই অভিযোগ মিথ্যা এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

রোববার (২ আগস্ট) রাতে তজুমদ্দিন উপজেলা শহরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, তার মূল ব্যাংক একাউন্ট নম্বর ৮০৫, যা থেকে তিনি বিগত ১৭ বছর ধরে নিয়মমাফিক বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন। তিনি বলেন, ৪৬০৬ একাউন্ট ও ইনডেক্সের সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

মহিউদ্দিন অভিযোগ করেন, তার নামের সাদৃশ্যের কারণে প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে অসত্য তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, জেলা জামায়াতে ইসলামীও মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা দাবি করেছে, এই অভিযোগ একটি মিথ্যা প্রোপাগান্ডা।

মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান অভিযোগ করেছেন যে, মহিউদ্দিন ২০০৬ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং তিনি মৃত শিক্ষকের ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে সরকারি অর্থ উত্তোলন করছেন। পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে।