ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস আয়োজনের পদ্ধতি নিয়ে ভিন্নমত থাকলে কওমি উলামায়ে কেরামের সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সাংগঠনিক সচিব মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিজয়নগর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে জসনে জুলুস করতে গেলে কিছু কওমি মাদরাসার ছাত্ররা লাঠিসোঁটা নিয়ে তা প্রতিহত করে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মুসলমানরা তাদের জুলুস নিয়ে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যায়।
মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বুধবার সন্ধ্যায় তার ব্যক্তিগত ভেরিফাইড ফেইসবুকে পোস্টে বলেন, “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কওমি উলামায়ে কেরামদের প্রতি বাহাস কিংবা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি না। শুধু এতটুকু বলব—আমরা শাব্দিক অর্থের বিবেচনায় ঈদ বলে থাকি।” তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মতবিনিময় করার জন্য প্রস্তুত আছেন বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, “আশা করি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রশাসন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতকে স্পেস দিবেন।” মুফতি তাহেরী বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমনে আনন্দ মিছিল করা জায়েজ—এটি দলিলের মাধ্যমে সাব্যস্ত করতে না পারলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে জশনে জুলুস উদযাপনের উদ্যোগ আর নেবেন না।
মুফতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তাহেরী বর্তমানে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত কেন্দ্রীয় পরিষদের সাংগঠনিক সচিব এবং দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

























