০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নদী পরিষ্কার করে বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেলেন যুবক

  • আপলোড সময় : ০৫:১৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 2

দূষণে ভরা একটি নদী পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় আসা ২১ বছর বয়সী সুরেন্দ্র সিং চৌধুরী নেদারল্যান্ডসের একটি পরিবেশবিষয়ক প্রতিষ্ঠানে কাজের প্রস্তাব পেয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বিট্টু তাবাহি’ নামে পরিচিত সুরেন্দ্র ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার আজনার নদী পরিষ্কারের কাজ করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

তার উদ্যোগের কথা শুনে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ‘দ্য ওশান ক্লিনআপ’র প্রতিষ্ঠাতা বোয়ান স্লাট তাকে কাজের আমন্ত্রণ জানান। ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে নদী পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন সুরেন্দ্র।

শুরুতে কয়েকজন বন্ধু তাকে সহযোগিতা করলেও পরে তিনি একাই কাজটি চালিয়ে যান। সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করে নদী থেকে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা তুলে ফেলেন। নিরাপত্তাসামগ্রী না থাকা সত্ত্বেও তিনি দিনের পর দিন নদীতে নেমে কাজ করেন।

নদী পরিষ্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে নিজের সঞ্চয়ের টাকা ব্যবহার করেন বিট্টু। তবে এই কঠিন কাজের কারণে তার স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব পড়ে এবং তিনি সংক্রমণ ও চুলকানির সমস্যায় ভুগতে থাকেন।

সুরেন্দ্র একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান এবং বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ক্লাবের নতুন সভাপতি আলতামাশ কবির নির্বাচিত

নদী পরিষ্কার করে বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি পেলেন যুবক

আপলোড সময় : ০৫:১৬:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দূষণে ভরা একটি নদী পরিষ্কার করার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় আসা ২১ বছর বয়সী সুরেন্দ্র সিং চৌধুরী নেদারল্যান্ডসের একটি পরিবেশবিষয়ক প্রতিষ্ঠানে কাজের প্রস্তাব পেয়েছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘বিট্টু তাবাহি’ নামে পরিচিত সুরেন্দ্র ভারতের মধ্যপ্রদেশের রাজগড় জেলার আজনার নদী পরিষ্কারের কাজ করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

তার উদ্যোগের কথা শুনে নেদারল্যান্ডসভিত্তিক পরিবেশবিষয়ক সংস্থা ‘দ্য ওশান ক্লিনআপ’র প্রতিষ্ঠাতা বোয়ান স্লাট তাকে কাজের আমন্ত্রণ জানান। ২০২৬ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে নদী পরিষ্কারের কাজ শুরু করেন সুরেন্দ্র।

শুরুতে কয়েকজন বন্ধু তাকে সহযোগিতা করলেও পরে তিনি একাই কাজটি চালিয়ে যান। সাধারণ সরঞ্জাম ব্যবহার করে নদী থেকে বিপুল পরিমাণ আবর্জনা তুলে ফেলেন। নিরাপত্তাসামগ্রী না থাকা সত্ত্বেও তিনি দিনের পর দিন নদীতে নেমে কাজ করেন।

নদী পরিষ্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে নিজের সঞ্চয়ের টাকা ব্যবহার করেন বিট্টু। তবে এই কঠিন কাজের কারণে তার স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব পড়ে এবং তিনি সংক্রমণ ও চুলকানির সমস্যায় ভুগতে থাকেন।

সুরেন্দ্র একটি সাধারণ পরিবারের সন্তান এবং বর্তমানে স্নাতক পর্যায়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।