০৬:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্যালাইন নিয়েই রোগী দেখলেন ভোলার চিকিৎসক

  • আপলোড সময় : ০৯:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 0

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে চিকিৎসক ডা. ইরফান মাহমুদ স্যালাইন চলা অবস্থাতেই রোগীদের চিকিৎসা দেন। রাত ১২টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন, কিন্তু রোগীর চাপ থাকায় বিশ্রামে যেতে পারেননি।

জানা গেছে, জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডা. ইরফান মাহমুদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার শরীরে স্যালাইন চলছিল। তিনি চেয়ারে বসে রোগীদের চিকিৎসা দিতে থাকেন। রাত প্রায় ৩টার দিকে অন্য একজন চিকিৎসক দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বাসায় ফেরেন।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ৮৬ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও মাত্র ১৭ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের ওপর চাপ বেশি পড়ছে।

ডা. ইরফান মাহমুদ বলেন, "দিনে দুই শিফটে প্রায় ১৮ ঘণ্টা করে ডিউটি করতে হয় একজন চিকিৎসককে। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে আমার দুই-তিনবার বমি হয় এবং রক্তচাপ ৬০/৯০-এ নেমে গেলে অসুস্থ বোধ করি।"

তিনি আরও জানান, "কর্তব্যরত নার্সরা আমাকে স্যালাইন দেন, কিন্তু রাতে হামসহ কয়েকজন জরুরি রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় চলমান স্যালাইন নিয়েই রোগীদের চিকিৎসা দিতে হয়েছে।" বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ বোধ করছেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ক্লাবের নতুন সভাপতি আলতামাশ কবির নির্বাচিত

স্যালাইন নিয়েই রোগী দেখলেন ভোলার চিকিৎসক

আপলোড সময় : ০৯:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে চিকিৎসক ডা. ইরফান মাহমুদ স্যালাইন চলা অবস্থাতেই রোগীদের চিকিৎসা দেন। রাত ১২টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন, কিন্তু রোগীর চাপ থাকায় বিশ্রামে যেতে পারেননি।

জানা গেছে, জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা ডা. ইরফান মাহমুদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার শরীরে স্যালাইন চলছিল। তিনি চেয়ারে বসে রোগীদের চিকিৎসা দিতে থাকেন। রাত প্রায় ৩টার দিকে অন্য একজন চিকিৎসক দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বাসায় ফেরেন।

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ৮৬ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও মাত্র ১৭ জন চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি বিভাগের চিকিৎসকদের ওপর চাপ বেশি পড়ছে।

ডা. ইরফান মাহমুদ বলেন, "দিনে দুই শিফটে প্রায় ১৮ ঘণ্টা করে ডিউটি করতে হয় একজন চিকিৎসককে। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে আমার দুই-তিনবার বমি হয় এবং রক্তচাপ ৬০/৯০-এ নেমে গেলে অসুস্থ বোধ করি।"

তিনি আরও জানান, "কর্তব্যরত নার্সরা আমাকে স্যালাইন দেন, কিন্তু রাতে হামসহ কয়েকজন জরুরি রোগীর চিকিৎসার প্রয়োজন হওয়ায় চলমান স্যালাইন নিয়েই রোগীদের চিকিৎসা দিতে হয়েছে।" বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ বোধ করছেন।