০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা: জানুন কীভাবে নির্ধারণ করবেন

  • আপলোড সময় : ১০:০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 2

মায়ের গর্ভে একাধিক সন্তানের ভ্রূণ বেড়ে উঠলে তাকে মাল্টিপল প্রেগন্যান্সি বা একাধিক গর্ভধারণ বলা হয়। বাংলাদেশে এ ধরনের গর্ভধারণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুদের যমজ শিশু বলা হয়। কখনো কখনো একাধিক শিশু একসঙ্গে জন্ম নিতে পারে, যা টুইন বা ট্রিপলেট হিসেবে পরিচিত।

সাধারণত নারীর ঋতুচক্রে একটি ডিম্বাণু নিঃসৃত হয়, যা পুরুষের শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে গর্ভধারণ ঘটে। তবে কখনো কখনো একাধিক ডিম্বাণু তৈরি হলে এবং তারা আলাদা আলাদা শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে যমজ শিশু জন্ম নেয়। এ ধরনের যমজকে ‘ফ্র্যাটারনাল টুইন’ বলা হয়।

প্রতি ১০০০টি প্রসবে ১২ জন মায়ের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলে যমজ শিশু জন্মদানের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা নির্ভর করে বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, ওজন এবং ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টের মতো বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানোর কিছু কারণের মধ্যে রয়েছে: পরিবারে যমজ সন্তান থাকা, উচ্চতা, ওজন এবং বয়স। বিশেষ করে ৩৫ বা ৪০ বছরের বেশি বয়সে সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

যমজ গর্ভধারণের লক্ষণ সাধারণ গর্ভধারণের তুলনায় কিছুটা আলাদা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, সকালের বমি ভাব এবং ক্লান্তি। এছাড়া, পেটের বিভিন্ন অংশে নড়াচড়া অনুভব করা যায়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গা সংকটের দীর্ঘায়িত প্রভাব নিয়ে আলোচনা

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা: জানুন কীভাবে নির্ধারণ করবেন

আপলোড সময় : ১০:০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মায়ের গর্ভে একাধিক সন্তানের ভ্রূণ বেড়ে উঠলে তাকে মাল্টিপল প্রেগন্যান্সি বা একাধিক গর্ভধারণ বলা হয়। বাংলাদেশে এ ধরনের গর্ভধারণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুদের যমজ শিশু বলা হয়। কখনো কখনো একাধিক শিশু একসঙ্গে জন্ম নিতে পারে, যা টুইন বা ট্রিপলেট হিসেবে পরিচিত।

সাধারণত নারীর ঋতুচক্রে একটি ডিম্বাণু নিঃসৃত হয়, যা পুরুষের শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে গর্ভধারণ ঘটে। তবে কখনো কখনো একাধিক ডিম্বাণু তৈরি হলে এবং তারা আলাদা আলাদা শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হলে যমজ শিশু জন্ম নেয়। এ ধরনের যমজকে ‘ফ্র্যাটারনাল টুইন’ বলা হয়।

প্রতি ১০০০টি প্রসবে ১২ জন মায়ের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলে যমজ শিশু জন্মদানের ঘটনা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা নির্ভর করে বয়স, পারিবারিক ইতিহাস, ওজন এবং ফার্টিলিটি ট্রিটমেন্টের মতো বিভিন্ন বিষয়ের ওপর।

যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ানোর কিছু কারণের মধ্যে রয়েছে: পরিবারে যমজ সন্তান থাকা, উচ্চতা, ওজন এবং বয়স। বিশেষ করে ৩৫ বা ৪০ বছরের বেশি বয়সে সন্তান ধারণের ক্ষেত্রে যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

যমজ গর্ভধারণের লক্ষণ সাধারণ গর্ভধারণের তুলনায় কিছুটা আলাদা হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, ক্ষুধা বেড়ে যাওয়া, সকালের বমি ভাব এবং ক্লান্তি। এছাড়া, পেটের বিভিন্ন অংশে নড়াচড়া অনুভব করা যায়।