০৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির অপেক্ষায় মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা

  • আপলোড সময় : ০৬:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 2

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ির যাতায়াতের পথে প্রতিদিন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকেন অনেক মানুষ। তারা অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য। রোদ, বৃষ্টি, কিংবা আঁধার রাতে, তাদের প্রত্যাশা একটাই—প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখা।

রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এসব মানুষের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বয়সের ও পেশার মানুষ। কেউ রিকশার হ্যান্ডেলে, কেউ দোকানের সামনে, আবার কেউ ফুটপাতের ব্যস্ততা থামিয়ে অপেক্ষা করেন। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যখন ওই জায়গায় পৌঁছায়, তখন গতি কিছুটা ধীর হয় এবং তারা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাসিমুখে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।

রমনা থানার পাশে যমুনা ব্যাংকের একটি এটিএম বুথে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করা পাবনার এক বৃদ্ধ প্রতিদিন প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি যাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি হাতে ধানের শীষ নিয়ে অপেক্ষা করেন। চাকরি হারানোর পরও তিনি ইউনিফর্ম পরে সেই জায়গায় আসেন, প্রধানমন্ত্রীর একনজর দেখা তার জন্য বিশেষ মুহূর্ত।

বনানীর দুবাই মার্কেটের কাছে দুই রিকশাচালকও নিয়মিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির অপেক্ষায় থাকেন। তাদের চোখের ভাষায় ফুটে ওঠে আবেগময় মুহূর্ত। বনানী কাঁচাবাজারের ফুল ও ফল বিক্রেতারাও একইভাবে অপেক্ষা করেন।

কামাল আতাতুর্ক রোডে একজন ব্যক্তি গভীর রাতে অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি ফেরার পথে। দিনের পর দিন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় তার মুখটি অপরিচিত থাকেনি। প্রধানমন্ত্রী গাড়ির ভেতরের আলো জ্বালিয়ে হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।

এই অপেক্ষা ও দেখা হওয়ার মুহূর্তগুলোতে গড়ে উঠেছে এক অদ্ভুত সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির যাতায়াতের পথে অপেক্ষমাণ মানুষগুলো ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে রয়েছে এক নীরব বন্ধন, যা প্রতিদিনের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা ক্লাবের নতুন সভাপতি আলতামাশ কবির নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির অপেক্ষায় মানুষের অকৃত্রিম ভালোবাসা

আপলোড সময় : ০৬:১০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়ির যাতায়াতের পথে প্রতিদিন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকেন অনেক মানুষ। তারা অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য। রোদ, বৃষ্টি, কিংবা আঁধার রাতে, তাদের প্রত্যাশা একটাই—প্রিয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখা।

রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এসব মানুষের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বয়সের ও পেশার মানুষ। কেউ রিকশার হ্যান্ডেলে, কেউ দোকানের সামনে, আবার কেউ ফুটপাতের ব্যস্ততা থামিয়ে অপেক্ষা করেন। প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যখন ওই জায়গায় পৌঁছায়, তখন গতি কিছুটা ধীর হয় এবং তারা হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও হাসিমুখে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।

রমনা থানার পাশে যমুনা ব্যাংকের একটি এটিএম বুথে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করা পাবনার এক বৃদ্ধ প্রতিদিন প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি যাওয়ার সময় দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি হাতে ধানের শীষ নিয়ে অপেক্ষা করেন। চাকরি হারানোর পরও তিনি ইউনিফর্ম পরে সেই জায়গায় আসেন, প্রধানমন্ত্রীর একনজর দেখা তার জন্য বিশেষ মুহূর্ত।

বনানীর দুবাই মার্কেটের কাছে দুই রিকশাচালকও নিয়মিতভাবে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির অপেক্ষায় থাকেন। তাদের চোখের ভাষায় ফুটে ওঠে আবেগময় মুহূর্ত। বনানী কাঁচাবাজারের ফুল ও ফল বিক্রেতারাও একইভাবে অপেক্ষা করেন।

কামাল আতাতুর্ক রোডে একজন ব্যক্তি গভীর রাতে অপেক্ষা করেন প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি ফেরার পথে। দিনের পর দিন একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকায় তার মুখটি অপরিচিত থাকেনি। প্রধানমন্ত্রী গাড়ির ভেতরের আলো জ্বালিয়ে হাত নেড়ে তাদের অভিবাদনের জবাব দেন।

এই অপেক্ষা ও দেখা হওয়ার মুহূর্তগুলোতে গড়ে উঠেছে এক অদ্ভুত সম্পর্ক। প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির যাতায়াতের পথে অপেক্ষমাণ মানুষগুলো ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে রয়েছে এক নীরব বন্ধন, যা প্রতিদিনের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে।