ইসলামিক স্কলার আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বলেছেন, সুন্নাহ আমলেই আমাদের মুক্তি, এখানে কোনো যুক্তি খাটবে না। তিনি আজ রোববার তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ মন্তব্য করেন।
ফেসবুকে আরেকটি স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীর প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নের সীমারেখা থাকা উচিত। বিশেষত ধর্মীয় শিক্ষকের ক্ষেত্রে এই নৈতিকতা আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, “পিতার মতো” কিংবা “বড় ভাইয়ের মতো” পরিচয় সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দিতে পারে না। অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি।
সাইফুল্লাহ আরও বলেন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা ধামাচাপা দেওয়া ক্ষতিকর। এতে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট হয়। তিনি ন্যায়বিচারের মানদণ্ড ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন।
তরুণদের বিনোদন নিয়ে তিনি বলেন, উথাল-পাথাল গান ও নেশার ছোবলে পড়া তরুণ সমাজের জন্য ইতিবাচক নয়। তিনি প্রশাসনিক ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মাদক চোরাচালান বন্ধের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।
মসজিদের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, মসজিদ কেবল সালাত আদায়ের স্থান নয়, বরং এটি সামাজিক মিলনমেলা ও কমিউনিটির কল্যাণের কেন্দ্র হতে পারে। মসজিদ কমিটিতে থাকা ব্যক্তিদের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
সম্পদ অর্জন ও মানুষের কল্যাণ নিয়ে সাইফুল্লাহ বলেন, সম্পদ অর্জন করলেও তা আমাদের হাতে বন্দী করা উচিত নয়। প্রকৃত সাফল্য হলো কত মানুষের উপকার করা এবং তা সদকায়ে জারিয়া হিসেবে অব্যাহত রাখা।
উল্লেখ্য, আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং স্নাতকোত্তরে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে স্বর্ণপদক পান। তিনি তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বে পিএইচডি গবেষণারত এবং ঢাকার মাসজিদুল জুমা কমপ্লেক্সের খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


























