০৬:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তর কাট্টলীর ‘রিপু রজনী’ মণ্ডপে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

  • আপলোড সময় : ১২:২৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • 10

চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলীতে সেবাখোলা ও বৈকুণ্ঠধাম পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের আয়োজনে ‘রিপু রজনী’ থিমের দুর্গাপূজার মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়ে চলেছে। সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত তিন দিন ধরে প্রায় তিন লাখ মানুষ এই মণ্ডপটি দেখতে এসেছেন।

মণ্ডপে প্রবেশ করতে দর্শকদের তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। খুলনা, যশোর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী ও মিরসরাইসহ বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দশমীর দিনও দর্শনার্থীদের আনাগোনা বেড়েছে।

মণ্ডপের মূল আকর্ষণ হলো ধাতব উপাদানে নির্মিত দেবী দুর্গা। আয়নার ব্যবহার, নীল লেজার আলো ও কৃত্রিম কুয়াশা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে আলোকসজ্জা। এই আয়োজনের মাধ্যমে মানুষের অন্তর্জগতের অন্ধকারকে শিল্পের ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মণ্ডপের নির্মাণে প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। থিমের পরিকল্পনায় ছিলেন অপটিমিস্টিক দে, এবং প্রতিমা নির্মাণে যুক্ত ছিলেন শিল্পী কার্তিক পাল ও নিলয় নন্দী।

দর্শনার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মণ্ডপটির ছবি ও ভিডিও দেখে আগ্রহী হয়েছেন। দর্শক পূজা নাগ বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর মণ্ডপটি দেখতে পেয়ে তিনি সন্তুষ্ট। বিজয়া দশমীর সঙ্গে এই থিমের একটি তাৎপর্যপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইনানীতে গ্যাসের আগুন, ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন

উত্তর কাট্টলীর ‘রিপু রজনী’ মণ্ডপে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়

আপলোড সময় : ১২:২৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলীতে সেবাখোলা ও বৈকুণ্ঠধাম পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের আয়োজনে ‘রিপু রজনী’ থিমের দুর্গাপূজার মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়ে চলেছে। সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত তিন দিন ধরে প্রায় তিন লাখ মানুষ এই মণ্ডপটি দেখতে এসেছেন।

মণ্ডপে প্রবেশ করতে দর্শকদের তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। খুলনা, যশোর, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, নোয়াখালী, ফেনী ও মিরসরাইসহ বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দশমীর দিনও দর্শনার্থীদের আনাগোনা বেড়েছে।

মণ্ডপের মূল আকর্ষণ হলো ধাতব উপাদানে নির্মিত দেবী দুর্গা। আয়নার ব্যবহার, নীল লেজার আলো ও কৃত্রিম কুয়াশা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে আলোকসজ্জা। এই আয়োজনের মাধ্যমে মানুষের অন্তর্জগতের অন্ধকারকে শিল্পের ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মণ্ডপের নির্মাণে প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। থিমের পরিকল্পনায় ছিলেন অপটিমিস্টিক দে, এবং প্রতিমা নির্মাণে যুক্ত ছিলেন শিল্পী কার্তিক পাল ও নিলয় নন্দী।

দর্শনার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মণ্ডপটির ছবি ও ভিডিও দেখে আগ্রহী হয়েছেন। দর্শক পূজা নাগ বলেন, দীর্ঘ অপেক্ষার পর মণ্ডপটি দেখতে পেয়ে তিনি সন্তুষ্ট। বিজয়া দশমীর সঙ্গে এই থিমের একটি তাৎপর্যপূর্ণ যোগসূত্র রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।