সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজনের প্রাণহানির ঘটনায় নতুন শোকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি ভিডিও। চাচার পা বিচ্ছিন্ন হওয়ার ভিডিও দেখে মানসিক আঘাত সইতে না পেরে স্ট্রোক করে মারা গেছেন ভাতিজা ফজলে রাব্বি (২২)।
ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে বগুড়া সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের বানদিঘী পূর্বপাড়া এলাকায়। একই দিনে চাচা-ভাতিজার এমন মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত ফজলে রাব্বি গোলাম রব্বানীর ছেলে। তিনি ২০২৪ সালে গোদারপাড়া রাবেয়া মেমোরিয়াল হাই স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন।
স্বজনদের মতে, ফজলে রাব্বি হৃদরোগে ভুগছিলেন। শুক্রবার এশার নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে, ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের এরুলিয়া উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দিনমজুরদের চাপা দেয়। এতে সাতজন নিহত ও অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে ছিলেন রাব্বির চাচা নূর আমিন (৩৫)। দুর্ঘটনায় তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাকে প্রথমে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে রাব্বি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু হোরায়রা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা শুধু নিহতদের পরিবার নয়, তাদের স্বজনদের জীবনও পরিবর্তন করে দেয়। তিনি বগুড়া-নওগাঁ সড়কে নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানান।


























