সোমালিয়ার পুন্টল্যান্ড অঞ্চলের বন্দরনগরী বসাসোতে নতুন সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দাবি, এই ঘাঁটি থেকে আইএসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা, নজরদারি অভিযান এবং গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
মার্কিন আফ্রিকা কমান্ড (আফ্রিকম) এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য না করলেও পুন্টল্যান্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, এটি উত্তর সোমালিয়ায় নতুন সামরিক উপস্থিতি প্রতিষ্ঠার অংশ। তারা জানান, সিআইএও বসাসোতে তাদের কার্যক্রম বৃদ্ধি করবে।
গত ৩ সেপ্টেম্বর, পুন্টল্যান্ডের আল-মিসকাদ পর্বতমালার টোগা মিরালে ও টোগা বালাদে এলাকায় মার্কিন নজরদারি ড্রোন উড্ডয়ন করা হয়। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, আইএস জঙ্গিদের শনাক্ত করার পর ওই এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়।
বসাসো শহর গালফ অব এডেনের তীরে অবস্থিত এবং এটি মানবপাচার ও শরণার্থী চলাচলের একটি প্রধান রুট। কর্মকর্তাদের মতে, নতুন ঘাঁটির লক্ষ্য আইএসবিরোধী অভিযান ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
২ আগস্ট আফ্রিকমের একটি প্রতিনিধি দল পুন্টল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাঈদ আবদুল্লাহি দেনির সঙ্গে বৈঠক করে। বৈঠকের পর পুন্টল্যান্ড সরকার জানায়, যুক্তরাষ্ট্র বসাসোর সামরিক ঘাঁটি সম্প্রসারণ করবে। তবে স্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আগে সেখানে কোনো সামরিক ঘাঁটি ছিল না।
নতুন ঘাঁটির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র স্থানীয় একটি বিশেষ সন্ত্রাসবিরোধী স্ট্রাইক ফোর্স গঠন করবে। পুন্টল্যান্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাহিনীর সদস্যদের বেতন, প্রশিক্ষণ ও অস্ত্রসজ্জার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্র নেবে।
সোমালিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক চুক্তি করার ক্ষমতা কেবল কেন্দ্রীয় সরকারের। বসাসো ঘাঁটির বিষয়ে সোমালিয়ার প্রতিরক্ষা ও তথ্য মন্ত্রণালয় কোনো মন্তব্য করেনি।


























