০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ সদস্য একযোগে প্রত্যাহার

  • আপলোড সময় : ১২:৪৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
  • 1

খুলনা রেঞ্জের ২৮ জন পুলিশ সদস্যকে একযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শুক্রবার খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। প্রত্যাহারকৃত সদস্যদের মধ্যে বাবুর্চি থেকে শুরু করে সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) পর্যন্ত রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তালিকায় থানা ছাড়াও ট্রাফিক ও গোয়েন্দা শাখার সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পুলিশের দায়িত্ব হচ্ছে আইন প্রয়োগ, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে, যদি কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে, তাহলে তার প্রভাব পুরো বাহিনীর ওপর পড়ে। এতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের পুলিশের প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অনুযায়ী দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধের গোপন তথ্য ফাঁসের কথা স্বীকার করলেন বরখাস্ত মার্কিন জেনারেল

খুলনা রেঞ্জের ২৮ পুলিশ সদস্য একযোগে প্রত্যাহার

আপলোড সময় : ১২:৪৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

খুলনা রেঞ্জের ২৮ জন পুলিশ সদস্যকে একযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শুক্রবার খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয় থেকে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়। প্রত্যাহারকৃত সদস্যদের মধ্যে বাবুর্চি থেকে শুরু করে সহকারী উপপরিদর্শক (এসআই) পর্যন্ত রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন থানার পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তালিকায় থানা ছাড়াও ট্রাফিক ও গোয়েন্দা শাখার সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

পুলিশের দায়িত্ব হচ্ছে আইন প্রয়োগ, অপরাধ প্রতিরোধ এবং নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। তবে, যদি কোনো সদস্য ব্যক্তিগত স্বার্থে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে, তাহলে তার প্রভাব পুরো বাহিনীর ওপর পড়ে। এতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা সৃষ্টি হয় এবং সাধারণ মানুষের পুলিশের প্রতি আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল করিম বলেন, বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি অনুযায়ী দুর্নীতি, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইজিপি মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।