০১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাওড়ে ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার, ছিনতাইয়ের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ১০:৪৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • 6

মনিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা বাওড় থেকে মহসিন (২৩) নামের এক ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে মনিরামপুর থানা পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, তার সঙ্গে থাকা ভ্যান ও মোবাইল ছিনতাই করে হত্যার পর মরদেহটি বাওড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে পারখাজুরা বাওড়ের রামপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মহসিন চালুয়াহাটি গ্রামের জাহেদ মোল্যার ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মহসিন মঙ্গলবার বিকেলে ভ্যান নিয়ে বের হওয়ার পর সন্ধ্যার পর আর ফিরে আসেননি। বুধবার বিকেলে নিখোঁজের ডায়েরি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার সকালে একটি মরদেহ পানিতে আটকে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। মনিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং সেটি মহসিনের বলে শনাক্ত করেন স্বজনরা।

মহসিনের বড় ভাই মিলন মোল্যা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে শয়লা বাজারে মহসিনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সে সময় মহসিন ভাইকে বলেছিল, ‘এক হাজার টাকার একটা বড় ভাড়া ধরে আসি’ বলে চলে যায়।

মনিরামপুর থানার ওসি আবু সাঈদ জানান, মরদেহটি পচে গেছে এবং তার গায়ে বড় কোনো আঘাত পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে যুবলীগের মিছিল, যুবদলের পাল্টা প্রতিবাদ

বাওড়ে ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার, ছিনতাইয়ের অভিযোগ

আপলোড সময় : ১০:৪৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

মনিরামপুর উপজেলার পারখাজুরা বাওড় থেকে মহসিন (২৩) নামের এক ভ্যান চালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে মনিরামপুর থানা পুলিশ। স্বজনদের অভিযোগ, তার সঙ্গে থাকা ভ্যান ও মোবাইল ছিনতাই করে হত্যার পর মরদেহটি বাওড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে পারখাজুরা বাওড়ের রামপুর ঘাট সংলগ্ন এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত মহসিন চালুয়াহাটি গ্রামের জাহেদ মোল্যার ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মহসিন মঙ্গলবার বিকেলে ভ্যান নিয়ে বের হওয়ার পর সন্ধ্যার পর আর ফিরে আসেননি। বুধবার বিকেলে নিখোঁজের ডায়েরি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা বৃহস্পতিবার সকালে একটি মরদেহ পানিতে আটকে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। মনিরামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং সেটি মহসিনের বলে শনাক্ত করেন স্বজনরা।

মহসিনের বড় ভাই মিলন মোল্যা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে শয়লা বাজারে মহসিনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সে সময় মহসিন ভাইকে বলেছিল, ‘এক হাজার টাকার একটা বড় ভাড়া ধরে আসি’ বলে চলে যায়।

মনিরামপুর থানার ওসি আবু সাঈদ জানান, মরদেহটি পচে গেছে এবং তার গায়ে বড় কোনো আঘাত পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।