০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ই-টিন থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা: এনবিআরের নির্দেশনা

  • আপলোড সময় : ১০:০১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • 9

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, ই-টিন (e-TIN) থাকা সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে সকলের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা হবে, এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এনবিআরের নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের জরিমানা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

ই-টিন থাকলেই রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। অনেকেই ব্যাংকিং সেবা, ঋণ গ্রহণ বা সম্পত্তি নিবন্ধনের জন্য ই-টিন নিয়ে থাকেন। তবে আয় কমে গেলে বা করমুক্ত সীমার নিচে নেমে গেলেও রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা শেষ হয় না।

এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, যাদের বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে, তাদের জন্য রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া, যারা ফার্মের অংশীদার, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার, সরকারি চাকরিজীবী এবং আইন দ্বারা নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তি, তাদেরও রিটার্ন জমা দিতে হবে।

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৬(১) অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে জরিমানা আরোপ করা হতে পারে। তবে জরিমানার পরিমাণ করদাতার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না।

স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে এনবিআর সময়সীমা বাড়াতে পারে। ই-টিন থাকা সত্ত্বেও আয় করযোগ্য না হলে করদাতাদের বর্তমান নিয়ম যাচাই করা উচিত।

করদাতারা এনবিআরের অফিশিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টাল (etaxnbr.gov.bd) ব্যবহার করে নিজেদের রিটার্নের অবস্থা অনলাইনে যাচাই করতে পারেন। জরিমানার নোটিশ পেলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলে যোগাযোগ করা উচিত।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতের নৈতিক সাহস থাকলে গোপালগঞ্জে পথসভা করার আহ্বান রাশেদ খাঁনের

ই-টিন থাকা সত্ত্বেও রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা: এনবিআরের নির্দেশনা

আপলোড সময় : ১০:০১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, ই-টিন (e-TIN) থাকা সত্ত্বেও আয়কর রিটার্ন জমা না দিলে সকলের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে ৫ হাজার টাকা জরিমানা হবে, এমন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এনবিআরের নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের জরিমানা সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

ই-টিন থাকলেই রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। অনেকেই ব্যাংকিং সেবা, ঋণ গ্রহণ বা সম্পত্তি নিবন্ধনের জন্য ই-টিন নিয়ে থাকেন। তবে আয় কমে গেলে বা করমুক্ত সীমার নিচে নেমে গেলেও রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা শেষ হয় না।

এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী, যাদের বার্ষিক আয় করমুক্ত সীমা অতিক্রম করে, তাদের জন্য রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া, যারা ফার্মের অংশীদার, কোম্পানির শেয়ারহোল্ডার, সরকারি চাকরিজীবী এবং আইন দ্বারা নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তি, তাদেরও রিটার্ন জমা দিতে হবে।

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬৬(১) অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন দাখিলে ব্যর্থ হলে জরিমানা আরোপ করা হতে পারে। তবে জরিমানার পরিমাণ করদাতার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এবং এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে না।

স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে এনবিআর সময়সীমা বাড়াতে পারে। ই-টিন থাকা সত্ত্বেও আয় করযোগ্য না হলে করদাতাদের বর্তমান নিয়ম যাচাই করা উচিত।

করদাতারা এনবিআরের অফিশিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টাল (etaxnbr.gov.bd) ব্যবহার করে নিজেদের রিটার্নের অবস্থা অনলাইনে যাচাই করতে পারেন। জরিমানার নোটিশ পেলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলে যোগাযোগ করা উচিত।