০৭:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী ও কোদালা খালের ভাঙন, উদ্বেগে স্থানীয়রা

  • আপলোড সময় : ০৪:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 6

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পূর্ব কোদালা এলাকায় কর্ণফুলী নদী ও কোদালা খালের তীরে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে এই ভাঙন অব্যাহত রয়েছে, যা স্থানীয় শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কোদালা ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রায়খালী এলাকা থেকে কোদালা ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র ভাঙন চলছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই নতুন নতুন অংশ নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।

৭০ বছর বয়সী জেবর মুল্লুক বলেন, তিনি বাপ-দাদার স্মৃতিবিজড়িত ভিটেমাটি হারিয়েছেন এবং এখন নিজের বসতঘরের একাংশও নদীগর্ভে চলে গেছে। একই পরিস্থিতিতে রয়েছেন আরও অনেক পরিবার। স্থানীয়দের আশঙ্কা, চলতি বর্ষা মৌসুমেই প্রায় ১০০ থেকে ১২০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।

এছাড়া, ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে এলাকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও, যেমন কোদালা উচ্চ বিদ্যালয়, কোদালা বাজার, কোদালা ঘাট ও সৈয়দ আলী সড়ক। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, গত মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু জিওব্যাগ ফেললেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা নুরুল আজিম বলেন, গত কয়েক বছরে অনেক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং বর্তমানে তার পরিচালনাধীন মাদ্রাসাসহ শত শত বসতবাড়ি মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা জানিয়েছেন, সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় চুরি করতে গিয়ে ধরা, মাথা ন্যাড়া করলেন স্থানীয়রা

রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী ও কোদালা খালের ভাঙন, উদ্বেগে স্থানীয়রা

আপলোড সময় : ০৪:১৯:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পূর্ব কোদালা এলাকায় কর্ণফুলী নদী ও কোদালা খালের তীরে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে এই ভাঙন অব্যাহত রয়েছে, যা স্থানীয় শতাধিক পরিবারের বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কোদালা ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রায়খালী এলাকা থেকে কোদালা ব্রিজ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র ভাঙন চলছে। স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনই নতুন নতুন অংশ নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।

৭০ বছর বয়সী জেবর মুল্লুক বলেন, তিনি বাপ-দাদার স্মৃতিবিজড়িত ভিটেমাটি হারিয়েছেন এবং এখন নিজের বসতঘরের একাংশও নদীগর্ভে চলে গেছে। একই পরিস্থিতিতে রয়েছেন আরও অনেক পরিবার। স্থানীয়দের আশঙ্কা, চলতি বর্ষা মৌসুমেই প্রায় ১০০ থেকে ১২০টি পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে।

এছাড়া, ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে এলাকার বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও, যেমন কোদালা উচ্চ বিদ্যালয়, কোদালা বাজার, কোদালা ঘাট ও সৈয়দ আলী সড়ক। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, গত মৌসুমে পানি উন্নয়ন বোর্ড কিছু জিওব্যাগ ফেললেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মাওলানা নুরুল আজিম বলেন, গত কয়েক বছরে অনেক ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে এবং বর্তমানে তার পরিচালনাধীন মাদ্রাসাসহ শত শত বসতবাড়ি মারাত্মক ঝুঁকিতে রয়েছে। তারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা জানিয়েছেন, সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।