০৩:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ

  • আপলোড সময় : ০৪:১৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • 9

বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সিদ্ধ ডিম খেয়ে ১১ জন শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এই ঘটনা বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ধানসাগর ইউনিয়নের ৯৮ পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য ডিম সিদ্ধ করে খাওয়ানো হয়েছিল এবং সব ডিমই ভালো ছিল। প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরা একই ডিম খেয়েও অসুস্থ হয়নি, তবে দ্বিতীয় শিফটের কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। কী কারণে এই অসুস্থতা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওসাকার প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলিম আল রাজি মুক্তি বলেন, শরণখোলার ১১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সময়ে ডিম সরবরাহ করা হয়েছে, কিন্তু অন্য কোনো বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা বর্তমানে স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস জানান, ডিম খাওয়ার পর ১১ জন শিশু পেটব্যথা ও অস্বস্তিবোধ করায় হাসপাতালে ভর্তি হয়। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে এবং বর্তমানে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ডিমে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। একই ডিম প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরাও খেয়েছে এবং তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে পরীক্ষার জন্য ডিমের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, শিগগিরই পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল

বাগেরহাটে স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ

আপলোড সময় : ০৪:১৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

বাগেরহাটের শরণখোলায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির সিদ্ধ ডিম খেয়ে ১১ জন শিশু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এই ঘটনা বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ধানসাগর ইউনিয়নের ৯৮ পূর্ব ধানসাগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীরা তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসিমা আক্তার জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য ডিম সিদ্ধ করে খাওয়ানো হয়েছিল এবং সব ডিমই ভালো ছিল। প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরা একই ডিম খেয়েও অসুস্থ হয়নি, তবে দ্বিতীয় শিফটের কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। কী কারণে এই অসুস্থতা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

খাবার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওসাকার প্রোগ্রাম ম্যানেজার আলিম আল রাজি মুক্তি বলেন, শরণখোলার ১১৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই সময়ে ডিম সরবরাহ করা হয়েছে, কিন্তু অন্য কোনো বিদ্যালয়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। আক্রান্ত শিক্ষার্থীরা বর্তমানে স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস জানান, ডিম খাওয়ার পর ১১ জন শিশু পেটব্যথা ও অস্বস্তিবোধ করায় হাসপাতালে ভর্তি হয়। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়ার পর তারা সুস্থ হয়ে ওঠে এবং বর্তমানে তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

শরণখোলা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুনির আহমেদ বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ডিমে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। একই ডিম প্রথম শিফটের শিক্ষার্থীরাও খেয়েছে এবং তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে পরীক্ষার জন্য ডিমের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।