০৭:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন, স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক

  • আপলোড সময় : ০৪:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • 17

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীররক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয় গ্রামগুলোর জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলের পর থেকে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় বাঁধটির একটি বড় অংশ ভেঙে যেতে শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে পুরো চিলমারী উপজেলা বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়বে। সন্ধ্যার পর ভাঙনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় এলাকার মানুষ ঘরবাড়ি ও মালামাল সরানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ব্রহ্মপুত্র পাড়ের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিকেলের পর থেকে বাঁধটি ভাঙতে শুরু করেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো বাঁধটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।’ খতিব উদ্দিন অতীতের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি মনে করে বলেন, ‘এই বাঁধটি ভেঙে গেলে গোটা চিলমারী উপজেলা পানিতে ভেসে যাবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, বাঁধে ধসের খবর পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছেন এবং জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাঁধের ওই স্থানটির নকশা ও কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে, যা প্রায়ই ধসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নতুন করে স্থায়ী মেরামতের জন্য প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে।’

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাসের দাম নিয়ে আখতার হোসেনের অভিযোগ, সরকারের পদত্যাগ দাবি

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন, স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক

আপলোড সময় : ০৪:০০:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদের তীররক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে, যা স্থানীয় গ্রামগুলোর জন্য বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। বুধবার (১ জুলাই) বিকেলের পর থেকে রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল সড়কটারী এলাকায় বাঁধটির একটি বড় অংশ ভেঙে যেতে শুরু করে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্বেগ, যদি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে পুরো চিলমারী উপজেলা বড় ধরনের বিপদের মুখে পড়বে। সন্ধ্যার পর ভাঙনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় এলাকার মানুষ ঘরবাড়ি ও মালামাল সরানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ব্রহ্মপুত্র পাড়ের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিকেলের পর থেকে বাঁধটি ভাঙতে শুরু করেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো বাঁধটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।’ খতিব উদ্দিন অতীতের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি মনে করে বলেন, ‘এই বাঁধটি ভেঙে গেলে গোটা চিলমারী উপজেলা পানিতে ভেসে যাবে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, বাঁধে ধসের খবর পাওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছেন এবং জরুরি প্রতিরোধমূলক কাজ শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাঁধের ওই স্থানটির নকশা ও কাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে, যা প্রায়ই ধসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। নতুন করে স্থায়ী মেরামতের জন্য প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে।’