০৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে ভিসা ব্যবস্থাপনায় জালিয়াতির অভিযোগ, এখনও জবাব মেলেনি

  • আপলোড সময় : ০২:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬
  • 7

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে ভিসার অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থাপনায় গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ‘বার্তা বাজার’ হাইকমিশনের ভিসাহেল্প ডেস্ক এবং সাধারণ ইমেইলে লিখিত প্রশ্ন পাঠিয়েছে, তবে এখনও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সপ্তাহে মাত্র একদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট খোলা হয়। এই সময় সাধারণ আবেদনকারীরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হন, যেমন সার্ভার ব্যস্ত থাকা, ওটিপি না আসা এবং পেমেন্টের সমস্যা।

দশ থেকে পনেরোটি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কোনো নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবহার করে না। আবেদনকারীর তথ্য দিয়ে ফরমটি অজ্ঞাত পক্ষের কাছে পাঠানো হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, নিবন্ধনহীন সিম ব্যবহার করে একাধিক আবেদনে একই নম্বর ব্যবহার করা হয়।

এজেন্সিগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদ্ধতিতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে দশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়, অথচ সরকারি নিয়মে ভিসা সার্ভিস চার্জ মাত্র পনেরোশ টাকা। সাধারণ আবেদনকারীরা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে বাধ্য হয়ে এজেন্সিগুলোর সাহায্য নিচ্ছেন।

চিঠিতে হাইকমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভার ও ডেটাবেজে কাদের প্রবেশাধিকার আছে এবং গত ১ জুলাই আইভ্যাকের প্রতারণা সংক্রান্ত সতর্কবার্তার পর সেই প্রবেশাধিকার পর্যালোচনা করা হয়েছে কিনা।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডিবি পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে চুরির অভিযোগে আটক ৩

ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে ভিসা ব্যবস্থাপনায় জালিয়াতির অভিযোগ, এখনও জবাব মেলেনি

আপলোড সময় : ০২:৫৮:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনের বিরুদ্ধে ভিসার অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থাপনায় গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ‘বার্তা বাজার’ হাইকমিশনের ভিসাহেল্প ডেস্ক এবং সাধারণ ইমেইলে লিখিত প্রশ্ন পাঠিয়েছে, তবে এখনও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সপ্তাহে মাত্র একদিন কয়েক ঘণ্টার জন্য ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের স্লট খোলা হয়। এই সময় সাধারণ আবেদনকারীরা বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হন, যেমন সার্ভার ব্যস্ত থাকা, ওটিপি না আসা এবং পেমেন্টের সমস্যা।

দশ থেকে পনেরোটি ট্রাভেল এজেন্সির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কোনো নিজস্ব সফটওয়্যার ব্যবহার করে না। আবেদনকারীর তথ্য দিয়ে ফরমটি অজ্ঞাত পক্ষের কাছে পাঠানো হয়। অভিযোগ রয়েছে যে, নিবন্ধনহীন সিম ব্যবহার করে একাধিক আবেদনে একই নম্বর ব্যবহার করা হয়।

এজেন্সিগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদ্ধতিতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে দশ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়, অথচ সরকারি নিয়মে ভিসা সার্ভিস চার্জ মাত্র পনেরোশ টাকা। সাধারণ আবেদনকারীরা অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে বাধ্য হয়ে এজেন্সিগুলোর সাহায্য নিচ্ছেন।

চিঠিতে হাইকমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট সার্ভার ও ডেটাবেজে কাদের প্রবেশাধিকার আছে এবং গত ১ জুলাই আইভ্যাকের প্রতারণা সংক্রান্ত সতর্কবার্তার পর সেই প্রবেশাধিকার পর্যালোচনা করা হয়েছে কিনা।