০৫:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরে ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও

  • আপলোড সময় : ১০:১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • 11

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয়ের নামে টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে ‘এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার ফর ওমেন (ইসিডব্লিউ)’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ঢেউখালী ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের গ্রাহক মো. মুস্তাকিম হাওলাদার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সদরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে চার-পাঁচজন ব্যক্তি নিজেদের ইসিডব্লিউ এনজিওর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ঢেউখালী ইউনিয়নের চর কুমারিয়া এলাকায় একটি ভবনের নিচতলা ভাড়া নেন। তারা সহজ শর্তে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহক সংগ্রহ করতে শুরু করেন। ঋণ পাওয়ার আগে প্রত্যেক গ্রাহকের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় হিসেবে জমা নেওয়া হয়।

গ্রাহকেরা বুধবার ঋণ পাওয়ার জন্য অফিসে আসলে সেখানে তালা ঝুলতে দেখে হতাশ হন। তারা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের সামনে বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ১৫-১৬ জন নারী-পুরুষ দাঁড়িয়ে আছেন। তারা জানান, ঋণ দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে সদরপুর থানার ওসি আব্দুল আল মামুন শাহ্ বলেন, এ ঘটনায় একজন গ্রাহক থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইমরান খানের সন্তানদের সাক্ষাৎকার, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ম্যাচ বয়কটের হুমকি

ফরিদপুরে ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও

আপলোড সময় : ১০:১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে সঞ্চয়ের নামে টাকা নিয়ে উধাও হয়েছে ‘এমপাওয়ারমেন্ট সেন্টার ফর ওমেন (ইসিডব্লিউ)’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ঢেউখালী ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের গ্রাহক মো. মুস্তাকিম হাওলাদার প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে সদরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগে চার-পাঁচজন ব্যক্তি নিজেদের ইসিডব্লিউ এনজিওর কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ঢেউখালী ইউনিয়নের চর কুমারিয়া এলাকায় একটি ভবনের নিচতলা ভাড়া নেন। তারা সহজ শর্তে বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহক সংগ্রহ করতে শুরু করেন। ঋণ পাওয়ার আগে প্রত্যেক গ্রাহকের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঞ্চয় হিসেবে জমা নেওয়া হয়।

গ্রাহকেরা বুধবার ঋণ পাওয়ার জন্য অফিসে আসলে সেখানে তালা ঝুলতে দেখে হতাশ হন। তারা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কাউকে পাওয়া যায়নি।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের সামনে বিভিন্ন ইউনিয়নের প্রায় ১৫-১৬ জন নারী-পুরুষ দাঁড়িয়ে আছেন। তারা জানান, ঋণ দেওয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে সদরপুর থানার ওসি আব্দুল আল মামুন শাহ্ বলেন, এ ঘটনায় একজন গ্রাহক থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।