০২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রংপুরে মা-মেয়ের ধর্ষণের আলামত নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য, তদন্তে নতুন প্রশ্ন

  • আপলোড সময় : ০৮:৩১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • 9

রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে কি না, তা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোমের দেওয়া তথ্যের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। নিহতদের স্বজনরা হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বলেন, দুইজনের পক্ষে চারজনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। তিনি প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতি হতাশা প্রকাশ করেন এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে ‘বড় কোনো শক্তি’ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোম যতনের দাবি, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবুলকুমার বিশ্বাস জানান, ধর্ষণের চেষ্টার কোনো লক্ষণ তারা পাননি।

এদিকে, গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তারা অভিযোগ করেছেন, দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে চার হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

পুলিশ প্রথমদিকে হত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ডাকাতির কথা বললেও পরে জানায়, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে পুলিশের এই ব্যাখ্যা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, শিগগিরই পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল

রংপুরে মা-মেয়ের ধর্ষণের আলামত নিয়ে ভিন্ন বক্তব্য, তদন্তে নতুন প্রশ্ন

আপলোড সময় : ০৮:৩১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার ঘটনায় পুলিশের প্রাথমিক বক্তব্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে কি না, তা নিয়ে পুলিশের বক্তব্যের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোমের দেওয়া তথ্যের ভিন্নতা দেখা দিয়েছে। নিহতদের স্বজনরা হত্যাকাণ্ডের পেছনে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বাড়িতে শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠান শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বলেন, দুইজনের পক্ষে চারজনকে হত্যা করা সম্ভব নয়। তিনি প্রশাসনের ব্যর্থতার প্রতি হতাশা প্রকাশ করেন এবং হত্যাকাণ্ডের পেছনে ‘বড় কোনো শক্তি’ থাকতে পারে বলে সন্দেহ করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত দুই নারীর শরীরে ধর্ষণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গের ডোম যতনের দাবি, নিহত গণপতি চক্রবর্তীর মেয়ে আগামী চক্রবর্তীর শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. বাবুলকুমার বিশ্বাস জানান, ধর্ষণের চেষ্টার কোনো লক্ষণ তারা পাননি।

এদিকে, গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন রংপুর জিলা স্কুলের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। তারা অভিযোগ করেছেন, দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে চার হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

পুলিশ প্রথমদিকে হত্যার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে ডাকাতির কথা বললেও পরে জানায়, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে নিহতদের স্বজনদের মধ্যে পুলিশের এই ব্যাখ্যা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।